গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বান্দরবান সেনা রিজিয়ন সদর দপ্তরের ১২ নভেম্বরের চিঠির আলোকে তিনটি উপজেলায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলো। জনস্বার্থে ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে।

অভিযান চলাকালে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে ভ্রমণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

৮ নভেম্বর জারি করা পঞ্চম দফা নিষেধাজ্ঞা আজ শনিবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। গত ৯ অক্টোবর থেকে রাঙামাটির বিলাইছড়ির উপজেলার বড়থলি ইউনিয়ন ও ওই ইউনিয়নসংলগ্ন বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত জঙ্গিবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছিল। অভিযানের একপর্যায়ে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১৭ অক্টোবর রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় প্রথম পর্যটক ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। পরে থানচি ও আলীকদমকে অভিযানের আওতায় আনা হলে ২৩ অক্টোবর থেকে চারটি উপজেলাতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ৮ নভেম্বরের পঞ্চম দফার গণবিজ্ঞপ্তিতে আলীকদম উপজেলা থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। বাকি তিনটি উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকে।

প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারা গোয়েন্দা তথ্যের উল্লেখ করে জানান, রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নে ও ওই ইউনিয়নসংলগ্ন বান্দরবানের তিনটি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ে কুকিচীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নামে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন গড়ে উঠেছে। ওই সংগঠন থেকে সমতল থেকে আসা জঙ্গিরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। জঙ্গিরা সেখানে কেএনএফের সঙ্গে অবস্থান করছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযান চলাকালে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে ভ্রমণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।