ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যায় সৈকতের ডেলপাড়া থেকে স্কুলছাত্র আবদুল্লাহর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাবা কর্নেল শহিদুল হোসাইনের কাছে লাশ হস্তান্তের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশটি ঢাকায় নিতে চায় তার পরিবার।

পুলিশ জানায়, বুধবার বেলা ১১টার দিকে আবদুল্লাহর তিন খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে সৈকতে গোসলে নামে। বৈরী পরিবেশে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল ছিল। গোসলের একপর্যায়ে বড় একটি ঢেউয়ের ধাক্কায় চারজন ভেসে যেতে থাকে। এরপর তিন খালাতো ভাই কূলে উঠতে সক্ষম হলেও আবদুল্লাহ ডুবে যায়। ওই সৈকতে পর্যটকের গোসলে নামা নিষিদ্ধ। গোসলে নেমে কেউ নিখোঁজ হলে উদ্ধার তৎপরতা চালানোর মতো লাইফ গার্ড সেখানে নেই।

নিখোঁজ স্কুলছাত্রকে উদ্ধারে ঘটনাস্থলে তৎপরতা চালান সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফ গার্ডের কর্মীরা। লাইফ গার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশের ভাষ্য, ওই সৈকতে পাথরের খণ্ড ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঢেউয়ের ধাক্কায় আবদুল্লাহ পাথরের খণ্ডের ভেতরে আটকে পড়েছিল। সন্ধ্যায় জোয়ারের ধাক্কায় পাথরের খণ্ড থেকে লাশটি সরে জোয়ারের পানিতে ভেসে ডেলপাড়া সৈকতের দিকে চলে গেছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সৈকতের কলাতলী থেকে শৈবাল পয়েন্ট পর্যন্ত শহর এলাকার চার কিলোমিটারে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধার তৎপরতার কাজ করছেন বেসরকারি লাইফ গার্ড সি সেফ প্রতিষ্ঠানের ২৬ জন কর্মী। সৈকতের অবশিষ্ট ১১৬ কিলোমিটারে গোসলে নেমে কেউ নিখোঁজ হলে উদ্ধার তৎপরতার চালানোর কেউ নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন