ছোট্ট ওই খালের ওপর আগে যখন সেতু ছিল না, তখন মানুষের দুর্ভোগের শেষ ছিল না। গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২০১৫ সালে ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সেতু নির্মাণ করা হয়। তখন সেতুর দুই পাশে কাঁচা রাস্তা ছিল। কিছু সময় লোকজন সেতুটি ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল। ২০১৬ সালে বর্ষার পানিতে সেতুটির দুপাশের সংযোগ সড়ক ধসে যায়। এর পর থেকে সংযোগ সড়কটি আর না হওয়ায় সেতুটি ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসী।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, এই সেতু এখন শুধু মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে বহুবার ঘোরাঘুরি করেও সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করিয়ে নিতে পারেননি। ফলে তাঁরা এখন এই সেতু ব্যবহারের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। বর্ষা মৌসুমে প্রায় চার কিলোমিটার ঘুরে সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বা জরুরি প্রয়োজনে সদরে যাতায়াত করেন।

সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জোনাকি আক্তার বলে, বর্ষা মৌসুমে অনেক কষ্ট করে চার কিলোমিটার ঘুরে তাকে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মজনুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রতি আমি এই উপজেলায় যোগদান করেছি। এই বিষয়ে আমার কিছুই জানা ছিল না। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে ওই সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকার বিষয়টি শুনেছি। সেখানে সরেজমিনে পরিদর্শনও করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে যেকোনো প্রকল্পের মাধ্যমে সেতুর দুই পাশে মাটি কেটে ভরাটের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’