ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য, মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

উলফাত আরা তিন্নি
সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাস করা ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি শেখ জামিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে মাগুরা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিং করে এসব কথা জানিয়েছেন ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম। এ নিয়ে এ মামলায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

উলফাত আরা তিন্নি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া বাজারের মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর মেয়ে। ১ অক্টোবর রাতে তিন্নিকে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা।

পুলিশ সূত্র জানায়, উলফাত আরা তিন্নি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া বাজারের মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর মেয়ে। ১ অক্টোবর রাতে তিন্নিকে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই রাতে তিন্নির মেজ বোন ইফ্ফাত আরা মুন্নির সাবেক স্বামী জামিরুল ইসলাম তাঁদের বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং ভাঙচুর করেন। জামিরুল ইসলাম তিন্নির সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেন। এ অপমান সইতে না পেরে তিন্নি গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এ ঘটনায় উলফাত আরা তিন্নির মা হালিমা বেগমের করা মামলায় আটজনকে আসামি করা হয়েছে। তিনি তিন্নির মৃত্যুর ঘটনায় থানায় ধর্ষণ ও আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলার তিন আসামি এখনো পলাতক।
অবশ্য প্রথম থেকেই তিন্নির মা হালিমা বেগম ও তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যরা অভিযোগ করে আসছিলেন তিন্নিকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাঁকে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। কিন্তু ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের বা হত্যার আলামত মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন