জাওয়াদের প্রভাবে দিনভর মেঘলা আকাশ

প্রতীকী ছবি
ফাইল ছবি

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’–এর প্রভাবে চট্টগ্রামে আজ শনিবার দিনভর আকাশ ছিল মেঘলা। বিকেলে কোথাও কোথাও টিপটিপ বৃষ্টিও হয়েছে। সকালের দিকে কিছু সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও এরপর সারা দিন ছিল মেঘলা আকাশ।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে আগামী দুই দিন এ রকম মেঘলা আকাশ থাকবে চট্টগ্রামে। পাশাপাশি কিছুটা বৃষ্টিও হতে পারে। আজও কিছু কিছু এলাকায় টিপটিপ বৃষ্টি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তরে কর্তব্যরত আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি প্রচুর মেঘের সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশে আপাতত কোনো ভয়ের কারণ নেই। তবে বন্দর ও উপকূলীয় এলাকার জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। মেঘের অংশ প্রায় ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। তার অগ্রভাগ বাংলাদেশে ঢুকেছে। এ কারণে আগামী দুই দিনও মেঘ থাকবে। কিছুটা বৃষ্টিও হতে পারে।

আবহাওয়া দপ্তরের ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ আরও উত্তর দিক অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটা আজ দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাগর উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।