বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্মেলনের শুরুতেই প্রায় ১২০ দেশের সরকারপ্রধানেরা ‘নেতাদের সম্মেলনে’ নিজ নিজ বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। বেশ কয়েকটি উদ্যোগের ঘোষণা এসেছে। সম্মেলনের সভাপতি রাষ্ট্র যুক্তরাজ্য এ উদ্যোগগুলোকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ বা ‘ব্রেক থ্রু অ্যাজেন্ডা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর মধ্যে ছিল ২০৩০ সালের মধ্যে বন উজাড়ের অবসান, মিথেন গ্যাসের বৈশ্বিক নির্গমন ৩০ শতাংশ কমানো, মধ্য শতাব্দীর মধ্যে বিশ্বব্যাপী নিট শূন্য কার্বন নিঃসরণ নিশ্চিত করা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু সমস্যা মোকাবিলায় পূর্ব প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা। এ ছাড়া দাবি করা হয়, এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ, বৈদ্যুতিক যানবাহন, সবুজ ইস্পাত এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে সুফল পাওয়া যাবে। সম্মেলন শেষে গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আশাজাগানিয়া মন-সন্দিহান মাথা আশায় জাগ্রত থাকতে চেয়েছে।

শেষতক ২০০টি দেশের প্রতিনিধিদের দর-কষাকষির ফলাফল হিসেবে বিশ্ব কী পেল? ক্লাইমেট অ্যাকশন ট্র্যাকার (ক্যাট) কার্বন নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকারনামা (এনডিসি) মূল্যায়ন করে জানাচ্ছে, অদূরদর্শী এসব পরিকল্পনার ফলাফল হিসেবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। এ তাপমাত্রায় পৃথিবী বাসযোগ্য থাকবে না।

গাবুরার দুঃখ রয়েই গেল

বাংলাদেশের উপকূলে সাতক্ষীরা জেলার গাবুরা ইউনিয়নের এক পাশে উত্তাল প্রমত্তা খোলপেটুয়া নদী, আরেক পাশে খরস্রোতা কপোতাক্ষ নদ। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং বন্যা গাবুরাবাসীর নিত্যসঙ্গী। ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, বুলবুল, ফণী, আম্পান, ইয়াস পরপর আঘাত হেনেছে। দিন দিন দুর্যোগের তীব্রতা ও মাত্রা বেড়েই চলছে। দুর্যোগের তীব্রতা ও মাত্রা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। জলবায়ু পরিবর্তন সৃষ্ট মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় থেকে শুরু করে দাবানল, ঘন ঘন বন্যা, দাবদাহ এবং খরা নিয়ে ক্ষয়ক্ষতির আলোচনা ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ অংশ ভুক্ত। লস অ্যান্ড ড্যামেজ অভিযোজন থেকে ভিন্ন। মানুষের বাস্তুচ্যুতি, জীবিকা হারানো এবং জলবায়ু উদ্বাস্তু বা শরণার্থী ইত্যাদি লস অ্যান্ড ড্যামেজের অংশ।

গত জলবায়ু সম্মেলনে নতুন সান্তিয়াগো নেটওয়ার্ক অন লস অ্যান্ড ড্যামেজ গঠিত হয়। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল গঠিত হয়নি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি শনাক্ত করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের শুধু পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার করতে নয়, ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করার জন্য শক্তিশালী, স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য লস অ্যান্ড ড্যামেজ ব্যবস্থাও গৃহীত হয়নি। তাই গাবুরার মতো জলবায়ু দুর্গত এলাকার দুঃখ রয়েই গেল।

জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং বন উজাড়ের ফলে বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত গরমের ফলে যারা তাদের ঘরবাড়ি, জীবন এবং জীবিকা হারায়, তাদের জন্য উত্সর্গীকৃত তহবিলের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলো কঠোরভাবে দর-কষাকষি করেছিল। শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিনগুলোতে ১৩৪টি উন্নয়নশীল দেশের জি-৭৭ এই সমস্যাটির জন্য নিবেদিত তহবিল গঠনের জন্য একটি প্রস্তাব পেশ করেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধিতা করে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূল প্রভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্ষতি এড়াতে, কমাতে এবং মোকাবিলা করার জন্য কার্যকলাপের তহবিলের ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি গ্লাসগো সংলাপ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই আলোচনা শেষ করা হয়।

জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে সিদ্ধান্ত এখনো অনেক দূরে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দূষণকারী গ্যাস মিথেন নিয়ন্ত্রণের জন্য ৯০টির বেশি দেশকে সঙ্গে নিয়ে এর বৈশ্বিক নিঃসরণ ৩০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ চুক্তির অধীনে রাশিয়া, চীন ও ভারত অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই মিথেন নিঃসরণ কমানোকে ঘিরে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে, বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে মিথেন সর্বাধিক তাপমাত্রা বাড়ায়। আর কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘদিন থেকে তাপমাত্রা অধিক বাড়ায়। ৩০ শতাংশ মিথেন নির্গমন কমানোর মাধ্যমে ০.১ থেকে ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এড়ানো যেতে পারে। অথচ প্রতি দশকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি করছে।

যদি কার্বন নিঃসরণ অতি দ্রুত কমিয়ে আনা না যায়, তবে কোনোভাবেই বৈশ্বিক তাপমাত্রায় ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের লক্ষ্য অর্জন করা যাবে না। এ ছাড়া এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে বিদ্যমান ৮৫০০টি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিতে হবে। নতুন কোনো কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে না।

গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলনে কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের ‘ফেজ ডাউন’ করার প্রতিশ্রুতি গৃহীত হয়েছে। অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি তথা তেল–গ্যাস নিয়ে আলোচনা হয়নি।

সম্মেলনে জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদনকারী থেকে শুরু করে বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক এবং পেনশন তহবিল গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সীমিত করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। দাতব্য সংস্থা ও উন্নয়ন ব্যাংকগুলো থেকে প্রাথমিক ১০ বিলিয়ন ডলার তহবিল নিয়ে ‘গ্লোবাল এনার্জি অ্যালায়েন্স ফর পিপল অ্যান্ড প্ল্যানের’ সূচনা হয়েছে। প্রায় ৪৫০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্লাসগো ফাইন্যান্সিয়াল অ্যালায়েন্স ফর নেট জিরোর অধীনে অঙ্গীকার করেছে। তবে ব্যাংকগুলো সবুজায়নের পক্ষে এমন ঘোষণা দিলেও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান জীবাশ্ম জ্বালানিতে এখনো বিনিয়োগ বন্ধ করেনি।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সম্পন্ন হওয়া বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে প্রায়ই বিভিন্ন সাংঘর্ষিক বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকে। বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এরূপ কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়নি গ্লাসগোতে। রূপরেখা পাওয়া যায়নি বাণিজ্যকে কীভাবে সংযুক্ত করা হবে। লক্ষ করলে দেখা যায়, জলবায়ু বিনষ্টকারী বাণিজ্যই আইন দ্বারা সুরক্ষিত।

একটি বিশ্বব্যাপী কার্বন বাজার প্রতিষ্ঠা এবং দ্বিপক্ষীয় কার্বন বাণিজ্য পরিচালনা করার নিয়ম অনুমোদনের সময় উল্লাস ছিল। এই চুক্তি অনুযায়ী কার্বন নির্গমনের সামগ্রিক হ্রাসকে কঠোর করার জন্য কেন্দ্রীভূত কার্বন বাজারের অধীনে লেনদেন করা ২ শতাংশ ক্রেডিট বাতিল করা হবে। তবে দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয়ভাবে ক্রেডিট লেনদেনের ব্যাপারটি স্বেচ্ছাধীন। এর মানে হলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দূষণ স্থানান্তর করতে বাজার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করা হবে।

দ্বিপক্ষীয় এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্বন বাণিজ্য থেকে অভিযোজন তহবিলে রাজস্বের একটি অংশ দেওয়ার দাবি উঠলেও যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়। আফ্রিকার দেশগুলো অভিযোজন অর্থের আরও উৎসের আশা করেছিল, তবে পরিবর্তে স্বেচ্ছায় অবদানের আশ্বাসের মধ্যেই সীমিত থাকতে হয়েছে।

অর্থায়নে লাগামহীন প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নহীনতা

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার রোধে এবং নেট শূন্যে পৌঁছানোর প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজন অর্থের। বিশাল অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ও কাঠামোগত রূপান্তরের মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির নির্ভরতা কমিয়ে আনা যায়। প্যারিসে ১০০ বিলিয়ন ডলারের জলবায়ু তহবিলের প্রস্তাব করা হয়েছিল। প্রস্তাবিত সে অর্থ ২০২৩ সালে নিশ্চিত করা যায়নি। ২০২১-২০২৫ সময়কালে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সম্মেলনের শুরুতে উন্নয়নশীল দেশগুলো এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়, যা গোটা আলোচনায় প্রতিফলিত হয়েছিল। ফলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে আগামী পাঁচ বছরে এই তহবিল ৫০০ বিলিয়নে বৃদ্ধি করা হবে। কেননা নির্গমন হ্রাসের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিযোজনে আরও বেশি নগদ ব্যয় করতে অর্থ প্রয়োজন। পাশাপাশি সুষম বণ্টনও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যেমন দরিদ্রতম দেশগুলো যাদের চরম আবহাওয়ার প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য অর্থের প্রয়োজন, এরূপ অভিযোজনে অর্থায়ন নিশ্চিত করার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা লক্ষ্য করা যায়নি।

অভিযোজন শারম আল শেখে

এ বছরের ২৮ অক্টোবর আঙ্কটাডের বাণিজ্য ও উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সংস্কারের রূপরেখা দেওয়া হয়। এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে ২০৩০ সাল নাগাদ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বার্ষিক জলবায়ু অভিযোজন ব্যয় ৩০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। আর যদি প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা লঙ্ঘন করা হয়, তবে এ ব্যয় হবে ৫০০ বিলিয়ন ডলার।

উন্নত দেশগুলো অভিযোজন তহবিলে ৩৩৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একটি রেকর্ড হলেও এটি চাহিদা মেটানো থেকে অনেক দূরে। দরকার ট্রিলিয়ন ডলারের। গ্লাসগো চুক্তিতে উদ্বেগের কথা জানিয়ে বলা হয়েছে ‘অভিযোজনের জন্য জলবায়ু অর্থায়নের বর্তমান বিধান অপর্যাপ্ত রয়ে গেছে’। অভিযোজন বিষয়ে একটি বিশ্বব্যাপী লক্ষ্য কেমন হবে, তা নির্ধারণ করার জন্য আরও কাজ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করে দুই বছরব্যাপী গ্লাসগো-শারম আল শেখ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠা করে পরবর্তী কপ ২৭ তথা মিসরীয় প্রেসিডেন্সির হাতে ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়।

আঙ্কটাড আরও সতর্ক করেছে, তথাকথিত পরিবেশ রক্ষা পণ্য এবং সেবাগুলো উদার বাণিজ্যের ওপর ছেড়ে দিলে মূলত উন্নত দেশগুলোর রপ্তানিকারকদের মুনাফা বাড়িয়েই চলবে। অন্যদিকে চাপ সৃষ্টি করবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর। এ ছাড়া কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজমের (সিবিএএম) বিরুদ্ধে সতর্ক বার্তা জানিয়েছে। এর ফলে অনেক উন্নয়নশীল দেশের রপ্তানি ক্ষমতা হ্রাস করবে এবং কাঠামোগত রূপান্তরকে আরও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করবে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আঙ্কটাডের প্রতিবেদন, উন্নত দেশগুলোর পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিগুলোর অবাধ ব্যবহার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিলেও গ্লাসগোতে এ আলোচনা প্রাধান্য পায়নি।

দায়িত্ব এড়ানোর পুরোনো কৌশল

প্রায়ই বলা হয়ে থাকে, উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোতে জনগণ সংগ্রামী হয় এবং টিকে থাকার একধরনের বিশেষ সক্ষমতা আছে এদের। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যার সঙ্গে নিত্য লড়াই করেও এসব দেশের মানুষ টিকে থাকতে পারে। বৈশ্বিক পরিসরে, দরিদ্র দেশের জনগণের এই দুর্দশাকে পাশ কাটাতে প্রচণ্ডভাবে অপযুক্তির মাধ্যমে নিজেদের দায় এড়ানোর চেষ্টা চলছে। মনে রাখতে হবে জনগণ কেবল কিছু সংখ্যা নয়। যেকোনো দুর্যোগে তাদের সংগ্রাম এবং টিকে থাকার লড়াইটা অনেক কঠিন। দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার এই পুরোনো প্রচলিত অবস্থান থেকে বিশ্বনেতৃত্বকে বেড়িয়ে আসতে হবে।

  • অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের এবং ‘উন্নয়ন অন্বেষণ’-এর চেয়ারপারসন। আইইউসিএন এশিয়া আঞ্চলিক মেম্বার্স কমিটির ভাইস চেয়ারপারসন এবং বাংলাদেশের আইইউসিএন জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন