বৃষ্টি ভেজাতে পারে উত্তরাঞ্চলকে

বৃষ্টি
ফাইল ছবি

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কালবৈশাখী বয়ে গেছে। রংপুর, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা নোয়াখালী হয়ে রাঙামাটি পর্যন্ত মাঝারি মাত্রার কালবৈশাখী হয়েছে।

আজ শুক্রবারও দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিসহ কালবৈশাখীর পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটের অনেক জায়গায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আর দেশের কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

গতকাল সকাল ছয়টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইলে—৫৭ মিলিমিটার। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জের নিকলীতে হয়েছে ৩৫ মিলিমিটার ও ঢাকায় হয়েছে ৫ মিলিমিটার। নেত্রকোনায় ৪৯ মিলিমিটার ও ময়মনসিংহে ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সিলেটে ৪৭ ও শ্রীমঙ্গলে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

বৃষ্টিপাত হয়েছে রাজশাহী ও রংপুরেও। রাজশাহী বিভাগের বগুড়ায় ৫২ ও নওগাঁর বদলগাছিতে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রংপুরের দিনাজপুরে ৪২ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৪১ ও রংপুরে হয়েছে ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, এখনকার বৃষ্টিপাত বজ্র-ঝড় থেকেই হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলে যে বৃষ্টিপাত হবে, সেগুলো বজ্রমেঘ থেকে তৈরি হয়।

আবুল কালাম মল্লিক আরও বলেন, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তখন হাতিয়া, সন্দ্বীপ, টেকনাফসহ উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে বৃষ্টি হবে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।