বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, শীতের বাতাস আসার পথে প্রধান বাধা ছিল ভূমধ্যসাগর থেকে আসা মেঘ আর জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ বাতাস। আজ শুক্রবার থেকে তা সরে গেছে। ফলে তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করেছে। নতুন বছরের শুরু থেকে শীত বাড়বে। উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় এরই মধ্যে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে গেছে। আগামীকাল শনিবার থেকে দেশের আরও কয়েকটি এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, গত ডিসেম্বরে বঙ্গোপসাগর ও ভূমধ্যসাগরে একাধিক নিম্নচাপের কারণে প্রচুর মেঘ এসেছিল। ফলে শীতের বাতাস ঠিকমতো সারা দেশে ছড়াতে পারেনি। যে কারণে ডিসেম্বরে স্বাভাবিকের চেয়ে এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশি ছিল। জানুয়ারি এমনিতেই আমাদের সবচেয়ে শীতল মাস। আর মেঘ সরে যাওয়ায় শীত বেড়ে যাওয়ার সব শর্ত পূরণ হচ্ছে। ফলে নতুন বছরের প্রথম মাসেই শীত বাড়বে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছে থাকা গত ৩০ বছরের রেকর্ড অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে তিন থেকে চারটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। মূলত দেশের উত্তরাঞ্চল, যশোর-চুয়াডাঙ্গা, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী বিভাগে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এই মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা থাকে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা থাকে শ্রীমঙ্গলে সাড়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় মাসজুড়ে শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি থাকে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আগামীকাল শনিবারের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার দেশের বেশির ভাগ এলাকায় রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা ৯ দশমিক ১, নীলফামারীতে ১০ দশমিক ১ ও শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ও চট্টগ্রামের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পরিবেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন