default-image

সাড়ে ৭ মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর রোববার থেকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সরকারি নির্দেশে গত ১৯ মার্চ থেকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত সাতছড়ি উদ্যান পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ২০০৫ সালে ৬০০ একর পাহাড়ি জমিতে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান গড়ে তোলা হয়। সিলেট বিভাগের এটি অন্যতম একটি ভ্রমণের স্থান হিসেবে পরিচিত। এই উদ্যানে প্রায় ২০০ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী এবং ছয় প্রজাতির উভচর রয়েছে। আরও আছে লজ্জাবতী বানর, উল্লুক, চশমা হনুমান, কুলুবানর, মেছোবাঘ, মায়া হরিণসহ নানা প্রজাতির প্রাণী। এগুলো দেখতে ও সবুজ প্রকৃতির টানে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় করেন এই উদ্যানে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সরকারি নির্দেশে গত ১৯ মার্চ থেকে সাতছড়ি উদ্যান পর্যটকদের জন্য বন্ধ ছিল। এ বন্ধের ভেতরে উদ্যানের প্রাকৃতিক পরিবেশ বেশ সবুজ ও সতেজ হয়ে উঠে।

বিজ্ঞাপন
default-image

সাতছড়ি উদ্যানের পাশে অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁর ব্যবসায়ী জীবন বর্মা বলেন, করোনার কারণে এই উদ্যানে পর্যটক আসা বন্ধ থাকায় এই এলাকার ব্যবসায়ীরা সাড়ে সাত মাস ধরে চরম দুর্ভোগে ছিলেন। পর্যটকদের যাতায়াতে এই এলাকা আবার মুখরিত হবে। এতে তাঁদের দৈন্যদশা কাটবে বলে আশা তাঁর।

সাতছড়ি টিপরাহাটির হেডম্যান চিত্তরঞ্জন দেব বর্মা বলেন, উদ্যানে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের প্রকৃতি ও পরিবেশ খুবই ভালো ছিল। উদ্যানটি দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হলেও কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে কর্তৃপক্ষকে।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুয়ায়ী গত ১৯ মার্চ থেকে সাতছড়ি উদ্যান দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়। সরকারি নির্দেশে রোববার থেকে তা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যানে প্রতিদিন দুই শতাধিক দর্শনার্থী আসেন।

মন্তব্য পড়ুন 0