বিশ্বে বায়ুদূষণে ঢাকা দ্বিতীয়, নগরীর ১০ স্থানে দূষণ বেশি

বায়ুদূষণফাইল ছবি

বায়ুদূষণের কবল থেকে রক্ষা নেই রাজধানীবাসীর। টানা বৃষ্টি চলল কয়েক দিন। ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে সব প্রচেষ্টা যখন ব্যর্থ, তখন এই বৃষ্টিই ভরসা। কিন্তু সেই বৃষ্টির পরও এই মে মাসে দূষণ কমছে না।

আজ রোববার সকালে বিশ্বের ১২৪টি নগরীর মধ্যে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। আইকিউএয়ারে এ সময় ঢাকার বায়ুর মান ১৫৮। সকাল সোয়া আটটায় বাতাসের এ পরিস্থিতি ছিল। বাতাসের এ মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।

বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুদূষণের অবস্থা নিয়মিত তুলে ধরে। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে। আজ বাতাসের এ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে আইকিউএয়ার বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে।

এপ্রিল মাসের পর থেকেই ঢাকার বাতাসের মান ভালো হতে থাকে। এ সময় বৃষ্টি হলে দ্রুতই বাতাসের মান ভালো হয়। এপ্রিল পেরিয়ে মে মাস এসে গেল, তারপর এত বৃষ্টি। কিন্তু বাতাসের মান ততটা উন্নত হচ্ছে না।

আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে কুয়েতের কুয়েত সিটি। এ নগরীর বায়ুর মান ১৬১।

আজ ঢাকার বেশি দূষিত এলাকাগুলো

আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি। এ এলাকার বায়ুমান ২২১। বায়ুর মান দুই শতাধিক হলে তাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এরপর দূষণের তালিকায় আছে যথাক্রমে গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার (১৭৯), দক্ষিণ পল্লবী (১৬৭), গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (১৬৬), পীরেরবাগ রেললাইন (১৬৪), বারিধারা লেক সাইড (১৬৩), উত্তর বাড্ডা (১৬১), গোড়ান (১৬০), গুলশান লেক পার্ক (১৬০) ও ধানমন্ডি (১৫৯)।

সুরক্ষায় নগরবাসী যা করবেন

আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর যে মান, তাতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। বাড়ির বাইরে গিয়ে ব্যায়াম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ঘরের জানালাগুলো যতটা সম্ভব বন্ধ রাখতে হবে।