বায়ুদূষণ নিয়ে গবেষণা করবে ক্যাপস ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বায়ুদূষণ নিয়ে গবেষণা করতে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ছবি: ক্যাপসের সৌজন্যে

বায়ুদূষণ নিয়ে গবেষণা করতে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আজ মঙ্গলবার এটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ক্যাপসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা সংশ্লিষ্ট নির্ধারিত কলেজগুলোতে একটি করে ক্লিন এয়ার ক্লাবের কমিটি গঠন এবং বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ যন্ত্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বায়ুদূষণ মোকাবিলা সহজ হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানউল্লাহ এবং সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানে ফোকাল পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলাম।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. আশেক কবির চৌধুরী এবং ক্যাপসের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার।

উপাচার্য এ এস এম আমানউল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যাপসের এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। এর ফলে টেকনোলজি হস্তান্তর, যৌথ গবেষণা কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। এতে উভয় পক্ষই উপকৃত হবে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে ক্যাপসের চেয়ারম্যান এবং স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘নির্মল বায়ু মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বায়ুদূষণ আমাদের স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতিকে সরাসরি প্রভাবিত করছে। এই প্রেক্ষাপটে তরুণ প্রজন্মকে গবেষণা ও সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। আমার বিশ্বাস, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ক্যাপসের গবেষকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতে পরিবেশ আরও সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত হয়ে উঠবে।’