বৃষ্টির পরও ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, বিশ্বে আজ তৃতীয়

বায়ুদূষণফাইল ছবি: প্রথম আলো
প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন

শ্রাবণ শেষের এ সময়ে মূলত বৃষ্টির কারণেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বায়ুদূষণ সাধারণ কম থাকে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে সামান্য হলেও বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আইকিউএয়ারের মানসূচকে ঢাকার গড় বায়ুমান ১৫৩। এ মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।

আজ বায়ুদূষণে শীর্ষ স্থানে আছে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিনসাসা, স্কোর ১৭৩। দ্বিতীয় স্থানে আছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মানামা, ১৫৪।

বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুদূষণের পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এ লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় ও সতর্ক করে।

আজ আইকিউএয়ারে সতর্কবার্তায় নগরবাসীর উদ্দেশে বলা হয়েছে, বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরে বের হতে হবে। বাইরে ব্যায়াম না করাই ভালো। আর দূষিত বাতাস থেকে মুক্ত থাকতে জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

বর্ষাকালে সাধারণত বায়ুদূষণ কম হয় বৃষ্টির কারণে। মে মাসের শেষ থেকেই দূষণ কমে আসতে থাকে। কারণ, এ সময় থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। প্রাকৃতিক এ ঘটনা ছাড়া এ নগরীরর দূষণ রোধে আর কোনো ব্যবস্থাই আসলে নেই। সরকারি নানা উদ্যোগ তো ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। বৃষ্টি হলে নগরীর দূষণ কমে কয়েক দিন, তারপর আবার বাড়ে।

রাজধানীর বেশি দূষিত এলাকাগুলোর মধ্যে আছে পীরেরবাগ রেললাইন, স্কোর ১৮০; তেজগাঁওয়ের বেজ ওয়াটার গার্ডেন, স্কোর ১৬৫।

ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উপাদান হলো বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম ২.৫-এর উপস্থিতি। আজ ঢাকার বাতাসে এর উপস্থিতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানমাত্রার চেয়ে ১১ গুণের বেশি।