রাজধানীতে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি, তাপমাত্রা কমল অনেকটা
আজ শুক্রবার সকাল থেকেই ভ্যাপসা গরম ছিল রাজধানীতে। জ্যৈষ্ঠের শেষের কড়া রোদ গায়ে জ্বালা ধরাচ্ছিল। তাপমাত্রাও বেড়ে গিয়েছিল অনেকটা। কিন্তু দুপুরের পর রাজধানীর ঝুম বৃষ্টি সেই তাপ কমিয়েছে। বৃষ্টির পর তাপমাত্রা প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে। রাজধানীতে আজ বৃষ্টি হয়েছে ৪৩ মিলিমিটার। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য নানা স্থানে বৃষ্টি হয়েছে।
মৌসুমি বায়ু দেরিতে এলেও ইতিমধ্যে দেশের প্রায় সবখানে ছড়িয়ে পড়েছে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, এ বায়ুর বেশি সক্রিয় হতে সময় লাগবে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে, তা চলবে কয়েক দিন। আজ দেশের চার বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হয়েছে।
বেলা তিনটার পর রাজধানীতে বৃষ্টি শুরু হয়। অন্তত দুই ঘণ্টা চলে এই বৃষ্টি। বৃষ্টির জন্য অনেক রাস্তায় জলজটের সৃষ্টি হয়। ছুটির দিন হলেও যাঁরা রাস্তায় ছিলেন, তাঁরা পড়েন বিপদে। সকালের ঘাম ঝরানো রোদ দেখে স্বাভাবিকভাবেই অনেকেই ছাতা নিয়ে বেরোননি। তাঁদের জন্য সমস্যা হয়েছে বেশি। আবহাওয়া পূর্বাভাসে রাজধানীতে বৃষ্টির কথা বলা হয়েছিল। তবে এতটা বৃষ্টি হবে, তা বোঝা যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল ইসলাম আজ প্রথম আলোকে বলেন, বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা এই সময়ে রাজধানীতে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এতে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গেছে।
কোনো এলাকায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে, তাকে ভারী বৃষ্টি বলা হয়।
নাজমুল ইসলাম জানান, দুপুরের দিকে যখন প্রচণ্ড রোদ ছিল, তখন রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবার বৃষ্টির পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
নাজমুল ইসলাম বলেন, অর্থাৎ মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে। তিনি বলেন, আগামীকাল শনিবার রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
মৌসুমি বায়ু ছড়িয়ে পড়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে একটানা বা বর্ষার বৃষ্টি বলতে যা বোঝায়, তা হতে আরও কয়েক দিন লাগতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, দেশজুড়ে মৌসুমি বায়ুর বিস্তার ঘটলেও এখনই যে টানা বৃষ্টি হবে, এমনটা নয়। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে।