আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ মেঘলা। গতকাল বুধবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। তবে ঢাকায় বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম ছিল, মাত্র ২ মিলিমিটার। তাতে ধুলামলিন নগরে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে। সেখানে বৃষ্টির পরিমাণও বেশি ছিল, ২২ মিলিমিটার। দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সেখানেই হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ সকাল নয়টায় আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ময়মনসিং, খুলনা, ঢাকা, সিলেট বিভাগের দু–এক জায়গায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, এই বৃষ্টি শুরু হয়েছে মূলত পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে আছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, পশ্চিমা লঘুচাপ বাংলাদেশের উত্তর–পশ্চিমাংশের রাজশাহী ও রংপুরে মেঘ তৈরি করেছে। এর প্রভাবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া হতে পারে। দেশের বাইরে ভারতের বিহার, আসাম এমনকি উত্তর প্রদেশে সৃষ্ট বজ্রমেঘ বাংলাদেশে এসে অনেক সময় শক্তি সঞ্চয় করে বড় আকারের বৃষ্টি হয়। এর সঙ্গে থাকে ঝোড়ো হাওয়া।

মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে যে কালবৈশাখী হতে পারে, তা আবহাওয়া অধিদপ্তর মাসের শুরুতেই জানিয়েছিল।

আবুল কালাম মল্লিক আজ প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার থেকে দেশের অভ্যন্তরে বা বাইরে থেকে বজ্রমেঘ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে সে সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়বৃষ্টি বাড়তে পারে। এ সময় মাঝারি আকারের কালবৈশাখী বা তীব্র ঝড়ও হতে পারে।