পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলী, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র, তুরাগ, বালু ও ইছামতীর মতো বড় নদ-নদীর জন্য নদী অববাহিকা ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রোববার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার মহাপরিচালক ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসা ২২টি প্রতিবেদন যুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম চলতি মাসে রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
পরে শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদনে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোথাও জিও ব্যাগ, কোথাও ব্লক, আবার কোথাও মাটি ফেলে নদীর তীর ও বাঁধ ভেঙে যাওয়া রোধ করার চেষ্টা করছে। তবে এ সংস্থার কাছে নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা বা বাঁধ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত কোনো পরিকল্পনা নেই। যে কারণে জনস্বার্থে রিটটি করা হয়। হাইকোর্ট প্রতিটি বড় নদীর বাস্তুসংস্থান, পানির গতিপথ ও নদীর ভূরূপতত্ত্ব অনুযায়ী নদী অববাহিকা ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন।’