ঘটনায় অভিযুক্ত নেতা হলেন জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সউদ আহমেদ খান ওরফে প্রান্ত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। জহুরুল হক হলের ক্যানটিন পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে ও ক্যানটিনের কর্মচারী কাওসার আহমেদের মাথা ফাটান সউদ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থীরা জানান, আজ দুপুরে ক্যানটিনে খেতে গিয়ে তরকারিতে মাছি দেখতে পান সউদ আহমেদ খান। এ সময় ক্যানটিনের ক্যাশ কাউন্টারে (মূল্য পরিশোধের জায়গা) বসে ছিলেন ক্যানটিন পরিচালকের ছেলে কাওসার আহমেদ। খাবারে মাছি দেখে ক্ষুব্ধ সউদ খাবারের একটি পাত্র কাওসারের দিকে ছুড়ে মারেন। পাত্রটির আঘাতে কাওসারের মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। ওই অবস্থাতেই হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেনের কাছে যান কাওসার। তাঁরা সউদসহ ক্যানটিনে যান। একপর্যায়ে সউদ সেখানে কাওসারের কাছে ক্ষমা চান। পরে কাওসারকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগী কাওসার আহমেদের ভাষ্য, ‘ক্যাশ কাউন্টারে বসে ছিলাম। সউদ আহমেদ খান ক্যানটিন থেকে খাবার নিয়ে পার্শ্ববর্তী দোকানে বসে খাচ্ছিলেন। হঠাৎ সেখান থেকে এসে আমার দিকে খাবারের পাত্র ছুড়ে মারেন তিনি। এতে মাথা ফেটে যায় আমার।’

তবে ছাত্রলীগ নেতা সউদ আহমেদ খানের দাবি, তিনি আঘাত করার উদ্দেশ্যে পাত্র ছুড়ে মারেননি। তিনি বলেন, ‘এমনটা হবে আমি বুঝতে পারিনি। ঘটনাটির জন্য পরে আমি ক্ষমা চেয়েছি।’

এ বিষয়ে জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সউদ আহমেদ খান অন্যায় করেছেন। দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে আমরা বিষয়টি সমাধান করেছি। এ ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হল প্রাধ্যক্ষ আবদুর রহিম বলেন, ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।