৩ মাস এনইআইআর বন্ধ থাকবে, এমন কথা বলিনি: ডিসি মাসুদ আলম
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম তিন মাস বন্ধ থাকবে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমের বরাত দিয়ে এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এমন কোনো কথা বলেননি বলে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন ডিসি মাসুদ আলম।
আজ রোববার রাতে ডিসি মাসুদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, এনইআইআর তিন মাস বন্ধ থাকবে, এমন কথা তিনি বলেননি। তিন মাস অবৈধ মুঠোফোন ব্লক করা হবে না, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এমন বার্তা দিয়েছিলেন তিনি।
এর আগে বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এনইআইআর চালু আছে। বন্ধ করা হবে না।’
মুঠোফোন সেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে ১ জানুয়ারি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর কার্যক্রম চালু করে। একই সঙ্গে বৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোনের ওপর শুল্ক ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৩ দশমিক ৪ শতাংশ করা হয় এবং অবৈধ হ্যান্ডসেটকেও আইনি কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই সেদিন বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়।
বিটিআরসি বলছে, অবৈধ হ্যান্ডসেট রোধ, চুরি হওয়া ফোন বন্ধ এবং মোবাইল বাজারের বিশৃঙ্খলা দূর করতেই এনইআইআর চালু করা হয়েছে। কারিগরিভাবে এনইআইআর মূলত আইএমইআই, সিম নম্বর ও আইএমএসআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি)—এই তিন বিষয় যাচাই করে নেটওয়ার্ক সচল রাখে। এটি কোনো কল রেকর্ড করে না, মেসেজ পড়ে না কিংবা ইন্টারনেট কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে না।
বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীরা তাঁদের ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি দুটি নতুন হ্যান্ডসেট দেশে আনতে পারবেন। এনইআইআরে নিবন্ধনের জন্য তাঁরা তিন মাসের সময় পাবেন। এই তিন মাস হ্যান্ডসেটগুলো সচল থাকবে। ভ্রমণসংক্রান্ত নথিপত্র দিয়ে এসব ফোন এনইআইআরে নিবন্ধন করা যাবে।