‘ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম’ কীভাবে কাজ করে, জানাল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে, তা আজ সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টটি দেওয়া হয়। পোস্টে ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে, তা উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে বলা হয়—
ভিসা ইন্টারভিউর পর যোগ্য হলে কনসুলার কর্মকর্তা আপনাকে ‘pay.gov’–এর সরাসরি লিংকসহ পরিশোধের নির্দেশনা দেবেন।
৩০ দিনের মধ্যে বন্ড পরিশোধ করতে হবে।
সর্বোচ্চ ৩ মাস মেয়াদি, একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়া হবে।
নির্ধারিত কিছু পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে।
দেশে ফিরে আসার পর ভিসার সব শর্ত পূরণ হলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। আর অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। শর্তের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ না করা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরা।
বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা বন্ড (ভিসায় জামানত) কার্যকর হয় ২১ জানুয়ারি। এর আগের দিন (২০ জানুয়ারি) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
২০ জানুয়ারির বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ না করার বিষয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করে দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যাঁরা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার (বি১/বি২) জন্য অনুমোদিত হবেন, তাঁদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে।’
সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
৬ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট ৩৮ দেশের নাগরিকদের অবশ্যই ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত দিতে হবে।
১৫ হাজার মার্কিন ডলারের মূল্যমান বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৩১ টাকা হিসাবে)।