ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বুধবার থেকেই উত্তাল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। রাতেই ছাত্রীরা হল থেকে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। ওই দিন রাত একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে চার কার্যদিবসের মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দেন। অন্যথায় প্রক্টরিয়াল বডি পদত্যাগ করবে বলে জানান তিনি।

এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১০ ধারায় এ মামলায় অজ্ঞাতনামা পাঁচজনকে আসামি করা হয়। গত শুক্রবার ও শনিবার তাঁদের নগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আজিম, নুরুল আবছার, নূর হোসেন, মাসুদ রানা ও সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সাইফুল হাটহাজারী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্র। মোহাম্মদ আজিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, নুরুল আবছার নৃবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আজিম ও আবছার ছাত্রলীগের কর্মী। তাঁদের দুজনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত রোববার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ইয়াসমিন হাটহাজারী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্র সাইফুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পুলিশ জানায়, পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন