জেলা প্রশাসকেরা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। জেলার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক কমিটির সভাপতিও তাঁরা। ডিসিরাই মাঠপর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। এ জন্য এই সম্মেলন ও নির্দেশনাগুলোকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এটাই শেষ ডিসি সম্মেলন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের আইন অনুযায়ী কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ড্রেজিংয়ের কাজটি যেন যথাযথভাবে করা হয়, সেদিকেও নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর ডিসিদের পক্ষ থেকে অধিকাংশ আলোচনাই ছিল মূলত এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। যেমন একজন জেলা প্রশাসক তিনি যে জেলায় চাকরি করছেন, সেই জেলায় বিমানবন্দর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এ ছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণসহ ২৫টি নির্দেশনা দেন। তিনি শুধু প্রয়োজনীয় প্রকল্পই গ্রহণ করার ওপরও জোর দেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বুধবার মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক কার্য-অধিবেশনের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে এবং তৃতীয় দিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে ডিসিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এসব সাক্ষাৎ থেকেও ডিসিদের বিভিন্ন রকমের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়া হতে পারে।