এ ঘটনায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার কড়া সমালোচনা করেন হেফাজত নেতারা। তাঁরা বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বে পান থেকে চুন খসলে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিশ্ব হুমড়ি খেয়ে পড়ে। কিন্তু এমন ভয়ংকর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তারা নিশ্চুপ। তাদের এই নীরবতা প্রমাণ করে, এসব ঘটনায় তারা মৌন সমর্থন দিচ্ছে। এই নীরবতার পরিণাম শুভ হবে না।’

কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত ডেনিশ রাজনীতিবিদ রাসমাস পালুদানকে আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করারও দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। বিবৃতিতে বলা হয়, পালুদানের পাশাপাশি সুইডিশ সরকারকেও এ ঘটনায় জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে কোরআন অবমাননাসহ ইসলামবিদ্বেষী সব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজত নেতারা। তাঁরা বলেন, মুসলিম বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হলে এসব বিকৃতরুচির ইসলামবিদ্বেষী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা এমন কর্মকাণ্ড করার সাহস পাবে না।

বাংলাদেশ সরকারের উদ্দেশে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা দেখেছি বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরা দাবি জানাচ্ছি, মুসলিম বিশ্বকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ যেন সুইডিশ সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আওয়াজ তোলে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রয়োজনে সুইডেনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিতেরও পক্ষে হেফাজত। এ ছাড়া বিশ্বের সব মুসলমান ও বিবেকবান মানুষকে সুইডিশ পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম।