এটা অন্য রকম খবর ছিল। কোনো দাঙ্গা–হাঙ্গামা নয়। ডিলার আসে না, আসে না—কাঁহাতক আর অপেক্ষা করা যায়। এর আগেও অনেকে কয়েক দিন এসে ঘুরে গেছেন। মানুষ দুদিন পরে খেলেও চলে কিন্তু গাছকে খাওয়াতে হয় টাইমমতো। সার আর কীটনাশকনির্ভর ফসলের এই এক যন্ত্রণা।
সারের বস্তায় হাত দেওয়ার আগে কৃষকেরা নানাভাবে তাঁদের কষ্টের কথা জানিয়েছিলেন। আগে তাঁরা ছুটতেন স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে। মাশা আল্লাহ স্থানীয় সরকারের কোনো হদিস নেই প্রায় দুই বছর। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে এ দেশে যেমন রেডক্রস–রেড ক্রিসেন্টের কমিটি বদলায়, তেমনি বদলায় নানা সরকারি ডিলারশিপ। যাঁরা কমিশনের দর–কষাকষি করে কিছু ভাত ছিটিয়ে ডিলারশিপটা ধরে রাখেন। এই ধরে রাখার দাম পোষাতেই তাঁদের কারসাজি করতে হয়। সংকট তৈরি করে দাম বাড়াতে হয়। এবার তো বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ৪০০-৮০০ টাকা গুনতে হচ্ছিল। সরকারি দামের সঙ্গে খোলাবাজারের দামে দম ছাড়া পার্থক্যে অতিষ্ঠ হয়ে ১০ আগস্ট আমন চাষিরা পর্যাপ্ত ও সরকার নির্ধারিত দামে সার না পাওয়ার অভিযোগে লালমনিরহাট–বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করেন। কয়েক শ কৃষক এতে অংশ নেন এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
কৃষকদের অভিযোগ ছিল, সরকারি দামে পর্যাপ্ত সার পাওয়া যাচ্ছে না এবং বিশেষ করে টিএসপি, ডিএপি ও ইউরিয়া বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। টিএসপির সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা হলেও বাজারে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ এসেছে। ডিএপি ও ইউরিয়াতেও বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ ছিল।
অবরোধের খবর পেয়ে কালীগঞ্জের ইউএনও ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ইউএনও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহের আশ্বাস দিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। ২০২৫ সালেও জামালপুরের বকশীগঞ্জে সারের দাবিতে কৃষকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
আমার ফোন পেয়েই তিনি বুঝে গেছেন আমার এজেন্ডা ভূরুঙ্গামারী। কিছু বলার আগেই তিনি জানিয়ে দিলেন ‘তুমরা ইটাক লুট কহবা নয়, ইহা লুট নহে, হক হিস্যার বাঁটোয়ারা।’
‘ইহা লুট নহে, হক হিস্যার বাঁটোয়ারা’
বছর দশেক আগে (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬) কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে বসেছিল কুড়িগ্রাম জেলা কমিউনিস্ট পার্টির অষ্টম জাতীয় সম্মেলন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম কর্মী ইন্দুভূষণ রায় ওই সম্মেলনের উদ্বোধন করেছিলেন। সেখানে উত্তরবঙ্গের অনেক রাজনৈতিক কর্মীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এক কিষানি। ক্ষেতমজুর সমিতির নুরুভাই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সেই কিষানি কুমুদ বালার (ছদ্মনাম) সঙ্গে। এখন কানে একেবারেই শোনেন না কিন্তু কী আশ্চর্য মোবাইল করলে তিনি মোটামুটি সবটাই ধরতে পারেন। এটা আরও অনেক প্রবীণের ক্ষেত্রেও সত্য।
আমার ফোন পেয়েই তিনি বুঝে গেছেন আমার এজেন্ডা ভূরুঙ্গামারী। কিছু বলার আগেই তিনি জানিয়ে দিলেন ‘তুমরা ইটাক লুট কহবা নয়, ইহা লুট নহে, হক হিস্যার বাঁটোয়ারা।’ বলি, ‘আমি কি লুট কহিছি বুবু?’ ‘তোর কাগজওয়ালারা তাই লিখেছে।’ কেউ কেউ লিখলেও সবাই লেখেনি। ‘চাষার তলপেট ফাটি যাচ্ছে তার উপায় কী?’ রেলশ্রমিক নেতা কমরেড জসিম এই ভাষায় কথা বলতেন। ব্যাখ্যা করতে হতো না, মানুষ বুঝে যেত।
কৃষক যদি সময়মতো সার না পান, তাহলে তাঁর সমস্ত টাকা, শ্রম জলে যাবে—তিনি তো ধৈর্যহারা হবেনই। সরকারকে তো এটার ব্যবস্থা আগে থেকেই করা উচিত ছিল।
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলার মধ্যে পঞ্চগড় ছাড়া বাকি সব জেলাতেই ডিলার ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ বহুদিন থেকে কানে আসছিল।
সরকার কি টের পেয়েছিল?
কুমুদ বালা বলতে থাকেন, ‘আমার মতো বয়রার কানে যদি পৌঁছায় কৃষকের হক মেরে খাবার কথা, সরকার তাহলে কত বড় বয়রা বুঝ।’
রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলার মধ্যে পঞ্চগড় ছাড়া বাকি সব জেলাতেই ডিলার ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ বহুদিন থেকে কানে আসছিল। কাগজেই ছাপা হয়েছে জরিমানা, সার জব্দ, লালমনিরহাটের বিক্ষোভের ঘটনা। কোথাও সরকারি বরাদ্দের সার খোলাবাজারে বিক্রি, আবার কোথাও গুদামে সার রেখে ডিলারদের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা, কৃষকের জন্য বরাদ্দ করা সার অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা পাচারের ঘটনাও ধরা পড়েছে।
আগে মিয়ানমারে যেত টেকনাফ–বান্দরবন সীমান্ত দিয়ে, এখন যাচ্ছে দূর ভোলা থেকে সাগরপথে। ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা থেকে গত ৩ জুলাই মিয়ানমারে পাচারের সময় সারবোঝাই ট্রলার আটক করেন পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
দেশের বাইরেও পাচার হচ্ছে!
আমাদের দুই লাগোয়া দেশেই সার পাচার হচ্ছে। গত ২৮ জুন ভারতে পাচারের সময় রাঙামাটির বরকল উপজেলার ছোট হরিণা বিজিবি ঘাটে তল্লাশিকালে প্রচুর সার জব্দ হয়। জব্দ হওয়া সারের পরিমাণ সাড়ে তিন হাজার কেজি।
আগে মিয়ানমারে যেত টেকনাফ–বান্দরবন সীমান্ত দিয়ে, এখন যাচ্ছে দূর ভোলা থেকে সাগরপথে। ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা থেকে গত ৩ জুলাই মিয়ানমারে পাচারের সময় সারবোঝাই ট্রলার আটক করেন পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা।
এর আগে গত ১৭ মে মিয়ানমারে পাচারকালে ৩৪০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ হয় চট্টগ্রামে। একটা ঘটনার আলামত দেখে মনে হচ্ছে, খোদ উৎপাদক কোম্পানির একশ্রেণির কর্মচারী যুক্ত আছেন পাচারের সঙ্গে। প্রাথমিক আলামত সত্য হলে ভূরুঙ্গামারী আরও ঘটবে, হয়তো ফিনকি দিয়ে রক্তও ছুটবে।
পত্রিকায় প্রকাশিত বয়ান থেকে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরের পতেঙ্গা বহির্নোঙর এলাকায় অভিযান চালিয়ে যে ৪৫০ বস্তায় ২২ হাজার ৫০০ কেজি সার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড, তা যোগসাজশের মাধ্যমে বিসিআইসি কর্তৃক কাফকো (কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি) সার কারখানা থেকে ইউরিয়া সার অবৈধভাবে বিসিআইসির পরিবহন ঠিকাদারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমার পাচারের চেষ্টা করছিলেন কতিপয় ব্যক্তি।
এসব বড় বড় চালানের পাশাপাশি মেহেরপুরের গাংনী, ঝিনাইদহের মহেশপুর অথবা সুন্দরবনের (কয়রা) বিভিন্ন পকেট দিয়ে ছোট ছোট চালান ধরা পড়ছে কখনো কখনো।
সার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্তরাও ফায়দা নিচ্ছেন
দিনাজপুরে বিএডিসির সরকারি সারগুদাম থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই ৩২৭ দশমিক ৪৫ মেট্রিক টন সার বিক্রির অভিযোগে আকতারুল ইসলাম নামের এক স্টোরকিপারকে আটক করেছে পুলিশ।
সার বিতরণে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান একটি জাতীয় দৈনিককে বলেছেন, ‘সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এটা আমরা হতে দেব না। এসব ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তিনজন ডিডিকে প্রত্যাহার করেছি। এ ছাড়া সার ব্যবস্থাপনা তত্ত্বাবধানের জন্য দুজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে কমিটি করা হয়েছে। সরকারের বরাদ্দকৃত সার না তুলে গুদামজাত করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলার মধ্যে ১৫টিতেই এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সারের বাজার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও কৃষকদের হয়রানির অভিযোগে সর্বশেষ শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালককে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। খামারবাড়ি ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে মাঠপর্যায়ে তদারকিতে অবহেলার অভিযোগে জেলা স্তরের তিন উপপরিচালককে বদলি করা হয়।
এ দেশে এক ঘটনা তদন্তের জন্য একাধিক কমিটি গঠনের রেওয়াজ বড় পুরোনো। ভূরুঙ্গামারীর ঘটনা তদন্তে কমপক্ষে দুটো কমিটি গঠিত হয়েছে।
একাধিক কমিটি গঠিত, ভুক্তভোগী ছাড়া সবাই আছেন
এ দেশে এক ঘটনা তদন্তের জন্য একাধিক কমিটি গঠনের রেওয়াজ বড় পুরোনো। ভূরুঙ্গামারীর ঘটনা তদন্তে কমপক্ষে দুটো কমিটি গঠিত হয়েছে। ভূরুঙ্গামারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেককে সভাপতি করে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এবং সদস্যসচিব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
অপর দিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। অন্য সদস্যরা হলেন ড. মো. সাইখুল আরিফিন, উপপরিচালক লালমনিরহাট ও সৈয়দা সিফাত জাহান, উপপরিচালক রংপুর অঞ্চল। সারের প্রধান ব্যবহারকারী কৃষকদের বাইরে রেখে এ রকম কমিটি কৃষি আর কৃষকের স্বার্থ কীভাবে বিবেচনা করবে, তা আল্লাহ মালুম। ডিলার, জনপ্রতিনিধি, কৃষক ছাড়া এসব কমিটি নেহাতই নিয়ম রক্ষার কমিটি, যা আরেকটা ভূরুঙ্গামারী ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
সারা দেশে কার্যকর ও জনপ্রতিনিধিত্বমূলক স্থানীয় সরকার না থাকায় কাজটা ক্রমে দুরূহ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় সরকার ছাড়া দেশ পরিচলনার স্বপ্ন দেখাটাও অন্যায়—সেটা যত জলদি আমরা বুঝব, ততই মঙ্গল। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সঠিক সার বিতরণের জন্য প্রধান ১০টি ব্যবস্থার কথা ভাবা যেতে পারে।
নিয়ে যাওয়া সার মানুষ স্বেচ্ছায় ফেরত দিচ্ছেন
কুমুদ বালা জানালেন, মানুষ নিয়ে যাওয়া সার স্বেচ্ছায় ফেরত দিচ্ছেন। আর তোমরা বলছ উদ্ধার করা হয়েছে। এই বয়ান খুবই অসম্মানের। মানুষ নিয়েছিলেন পাচার ঠেকাতে। বেড়ায় গাছ খাওয়ার খবরে তাঁরা বিচলিত ছিলেন। লুটপাট আর পাচারের খবর মোবাইল টিপলেই পাওয়া যায়। মনপুরা থেকে যদি সার পাচার হয়ে রাখাইনের সিত্তে যেতে পারে, তাহলে ভূরুঙ্গামারী থেকে সোনাহাট–ধুবড়ি তো নস্যি। তাই তাঁরা হেফাজতে নিয়েছিলেন। এখন কোতোয়ালদের টনক নড়েছে, তারা দায়িত্ব নিয়েছে। তাই মানুষ সার ফেরত দিচ্ছেন।
উপায় কী হতে পারে
সারা দেশে কার্যকর ও জনপ্রতিনিধিত্বমূলক স্থানীয় সরকার না থাকায় কাজটা ক্রমে দুরূহ হয়ে পড়ছে। স্থানীয় সরকার ছাড়া দেশ পরিচলনার স্বপ্ন দেখাটাও অন্যায়—সেটা যত জলদি আমরা বুঝব, ততই মঙ্গল। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সঠিক সার বিতরণের জন্য প্রধান ১০টি ব্যবস্থার কথা ভাবা যেতে পারে।
১. ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক আবাদি জমি, ফসল ও মৌসুমের ভিত্তিতে সার চাহিদা নির্ধারণ।
২. উপজেলা ও ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দ অনলাইনে প্রকাশ করা।
৩. ডিলারের গুদাম, মজুত ও বিক্রির হিসাব নিয়মিত যাচাই করা।
৪. জাতীয় পরিচয়পত্র/কৃষক নিবন্ধনের মাধ্যমে কত কেজি সার কে কিনেছেন তার রেকর্ড রাখা।
৫. সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া বন্ধ করা।
৬. গুদাম ও বাজারে আকস্মিক পরিদর্শন; কৃত্রিম সংকট বা মজুতদারির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া।
৭. ইউনিয়ন পরিষদ, কৃষক প্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বিতরণ পর্যবেক্ষণ।
৮. কৃষক যেন সহজে অভিযোগ করতে পারেন এবং অভিযোগের নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারিত থাকে।
৯. ডিলারের দোকানে প্রতিদিনের মজুত, মূল্য ও বিতরণের তথ্য দৃশ্যমানভাবে টাঙানো।
১০. সার আত্মসাৎ, কালোবাজারি, ওজনে কম দেওয়া বা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।
দলীয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রণমুক্ত একটি নির্বাচিত দায়িত্বশীল ও দরদি স্থানীয় সরকার পথ দেখাতে পারবে। রোধ করতে পারবে ভূরুঙ্গামারী বা গোবিন্দগঞ্জের পুনরাবৃত্তি।