বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
আমাদের চিন্তা সুইফট ও ক্রেডিট কার্ড নিয়ে। কারণ, এই দুই পদ্ধতি হ্যাক করে ডলার চুরি করা যায়। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ পাওয়ার পরই সুইফট ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

আমাদের চিন্তা সুইফট ও ক্রেডিট কার্ড নিয়ে। কারণ, এই দুই পদ্ধতি হ্যাক করে ডলার চুরি করা যায়। এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ পাওয়ার পরই সুইফট ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সুইফটের মাধ্যমে কোনো বার্তা পাঠাতে হলে আগে লেখা হচ্ছে, এরপর মেশিন চালু করে পাঠানো হয়। এরপর সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আবার কোনো বার্তা আসলে মেশিন চালু করে আবার বন্ধ রাখা হচ্ছে।

ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেনদেন আমরা সীমিত করে দিয়েছি। কয়েকটি দেশে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু কিছু দেশে কতটি লেনদেন করা যাবে, তাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কয়েকটি দেশে নির্দিষ্ট লেনদেনের পর আর কোনো লেনদেন হবে না। এতে করে কোনো হ্যাকার গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ নিলেও নির্দিষ্ট লেনদেনের বেশি করতে পারবে না। যেসব দেশ থেকে এর আগে চুরির ঘটনা ঘটেছে, ওই দেশগুলোতে লেনদেন সীমিত ও বন্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী কোণ নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এসব পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ম্যালওয়্যার নিয়ে। আমরা কর্মকর্তাদের জানিয়েছি, অপরিচিত মেইল না খুলতে। আর অপ্রয়োজনে কোনো ফাইলে ক্লিক না করতে। অনেক সময় হ্যাকাররা ছিন্ন ভিন্ন ভাবে একে একে ফাইল পাঠায়। এরপর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জোড়া হয়ে কার্যকর হয়। ম্যালওয়্যার কার্যকর হলে তাকে ঠেকানো কঠিন। তারা পাসওয়ার্ড, সীমা সব ভেঙে ফেলে। যতই পদক্ষেপ নেওয়া হোক না কেন, এটা ঠেকানো বেশ কঠিন। এ জন্য প্রয়োজন সবার সচেতনতা ও আমাদের ব্যবস্থা।

আবুল কাশেম মো. শিরিন: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন