বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমরা সব শ্রেণির ব্যবসায়ীরা ভ্যাট দিতে চাই। কিন্তু আমাদের দাবি হলো, যতক্ষণ প্রতিটি দোকানে ইলেকট্রনিক ফিসকেল ডিভাইস (ইএফডি) না বসবে, ততক্ষণ ছোট ছোট দোকানদারদের ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখা। একটি বিপণিবিতানের ৫-১০টি দোকানে ইএফডি বসালে হবে না। বিপণিবিতানের সব দোকানে ইএফডি বসাতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইএফডি নিশ্চিত করতে না পারবে, ততক্ষণ ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া ঠিক হবে না।

কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ ঊর্ধ্বতন নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আমরা আলোচনায় বসেছিলাম। সেখানে আমরা আমাদের বক্তব্য তুলে ধরেছি। তিনি (সালমান এফ রহমান) আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, বিষয়টি দেখবেন। সরকারকে ছয় মাস সময় দিলে সব ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইএফডি বসানো যাবে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাই আমরা আগামী ছয় মাস অপেক্ষা করতে চাই। এর আগে যেন কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায় শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বা ভ্যাটের নিবন্ধন নেওয়ার জন্য চাপ না দেওয়া হয়।

ভ্যাটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন, ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতিতে অন্তত আগামী ছয় মাস ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া উচিত। এ ছাড়া যতক্ষণ ৬০-৭০ শতাংশ ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইএফডি না বসবে, ততক্ষণ বিআইএন বাধ্যতামূলক করা উচিত হবে না।

আবু মোতালেব, সাধারণ সম্পাদক, ব্যবসায়ী ঐক্য ফোরাম

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন