বাংলাদেশ ব্যাংক গত মঙ্গলবার এ ব্যাপারে ইসলামিক ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামিক ফাইন্যান্সের এমডি পদে চৌধুরী মনজুর লিয়াকতকে নিয়োগের আবেদন করা হয়। এই আবেদন পর্যালোচনা করে ও আমানতকারীদের স্বার্থে মনজুর লিয়াকতকে প্রতিষ্ঠানের এমডি পদে নিয়োগে অনাপত্তি দেওয়া গেল না। একই সঙ্গে ইসলামিক ফাইন্যান্সকে খুব শিগগির একজন স্বচ্ছ ইমেজের যোগ্য ব্যক্তিকে এমডি হিসেবে নিয়োগ প্রদানের পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংক এশিয়া ছেড়ে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে চৌধুরী মনজুর লিয়াকত ইউনিয়ন ক্যাপিটালের এমডি হন। এর আগে তিনি এবি ব্যাংকে ছিলেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন ক্যাপিটালের সূচক ভালো থাকলেও পরে খারাপ হতে শুরু করে।

এ নিয়ে জানতে চাইলে চৌধুরী মনজুর লিয়াকত বলেন, ‘আমি ২০১৯ সালের অক্টোবরে ইউনিয়ন ক্যাপিটালে যোগ দিই। এরপর কোনো ধরনের ঋণ দিইনি। যোগ দেওয়ার পরই আমি আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকৃত চিত্র দেখানোর উদ্যোগ নিই। এ জন্য ২০১৯ সালে ৯৮ কোটি টাকা লোকসান হয়। এই সময়ে অবলোপন করা ঋণ থেকে ২৪ কোটি টাকা আদায় হয়েছে। এরপরও আমাকে কেন ইসলামিক ফাইন্যান্সে এমডি হিসেবে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, তা আমি বুঝতে পারছি না।’

মনজুর লিয়াকত প্রথম আলোকে আরও বলেন, ‘ইউনিয়ন ক্যাপিটালের সহযোগী প্রতিষ্ঠান খারাপ করছে। এ জন্য ইউনিয়ন ক্যাপিটালের আর্থিক সূচক কিছুটা খারাপ হয়েছে। তবে আমরা নিয়মিত গ্রাহকদের জমা টাকা ফেরত দিয়ে যাচ্ছি। এখনকার অবস্থার জন্য আমি কোনোভাবে দায়ী নই। যা হয়েছে সব আগে হয়েছে।’

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন