default-image

ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিলেট ও সুনামগঞ্জে আমাদের ৬টি শাখা, ৯৫টি এটিএম এবং ৩১টি টাকা জমার মেশিন আছে। তার সবই পানির নিচে। এ কারণে ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা পানিতে ডুবে আছে। যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় রকেট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং সেবাও বন্ধ হয়ে গেছে।’

একই অবস্থা সরকারি–বেসরকারি সব ব্যাংকের। সুনামগঞ্জের ব্যাংক শাখাগুলো নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা সুস্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারছেন না। অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘বন্যার কারণে সিলেট ও সুনামগঞ্জে ব্যাংকের শাখাগুলো খোলা সম্ভব হয়নি। আমাদের বেশির ভাগ শাখা দোতলায় হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আপাতত বন্ধ রাখতে। পাশাপাশি ওই এলাকায় ত্রাণ সহায়তা দিতে বলেছে। আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন