বিজ্ঞাপন

ঢাকা পশ্চিম কমিশনারেটের অধীনে মোহাম্মদপুর এলাকার টোকিও স্কয়ারে ২৪০টি দোকানের মধ্যে ৪২টির, ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের বারিধারার অনন্যা শপিং সেন্টারের ৫২টি দোকানের মধ্যে ২১টির নিবন্ধন নেই এবং গুলশানের নাভানা শপিং কমপ্লেক্সের ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২টির নিবন্ধন নেই। এই জরিপ চলমান থাকবে বলে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর জানিয়েছে।

রাজধানী ও রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে চারটি দল গঠন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। দলগুলো বিভিন্ন বিপণিবিতান, শপিং মল, কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করবে।

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, জরিপ দলগুলো নির্ধারিত ফর্মে ভ্যাটযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর, টিন, দোকানের আয়তন, ভাড়া, কর্মচারীর সংখ্যা ও তাদের আনুমানিক বেতন, বিদ্যুৎ বিলের মাসিক গড় এবং ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত পর্যন্ত ভ্যাটের পরিমাণ জানতে চাইবে।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধ সনদ দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শিত হচ্ছে কি না, বিক্রিত পণ্য বা সেবার প্রকৃতি এবং গত ১০ মাসের রিটার্ন জমার তথ্য যাচাই করবে ভ্যাট গোয়েন্দারা। এরপর মাঠ থেকে সংগৃহীত তথ্য স্থানীয় ভ্যাট অফিস এবং ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমের সঙ্গে যাচাই করা হবে।

default-image

বাংলাদেশের ভ্যাট আইন অনুসারে ভ্যাটযোগ্য প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে প্রতিটি পণ্য বা সেবা বিক্রির সময়ে ক্রেতাকে যথাযথভাবে মূসক চালান প্রদান এবং ক্রেতার কাছ থেকে নেওয়া ভ্যাট মাস শেষে ১৫ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে রিটার্ন দেওয়ার বিধান রয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে তদন্তের মাধ্যমে ফাঁকিকৃত ভ্যাট, জরিমানা, সুদসহ আদায় করা হয়।ভ্যাট গোয়েন্দাদের এই কার্যক্রম দেশে ভ্যাটসংক্রান্ত করবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশা করছে ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল হক বলেন, ‘এই জরিপের মাধ্যমে যারা ভ্যাটের আওতাভুক্ত নেই, তাদের আইনের আওতায় আনতে উদ্বুদ্ধ করা হবে। একই সঙ্গে, সঠিক পরিমাণ ভ্যাট নিয়মিতভাবে সরকারি কোষাগার জমা দিতে নিবন্ধিতদের আইনের বিধান সম্পর্কে অবহিত করা হবে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন