জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা সত্যি কথা যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু এই কষ্টে সরকারের চেয়ে বৈশ্বিক কারণটা বেশি দায়ী। বৈশ্বিক কারণটা তো আমরা রাতারাতি পরিবর্তন করতে পারব না। প্রত্যেক মানুষের জীবনে কখনো ভালো কখনো খারাপ সময় থাকে। সময়টা যে এখন খারাপ যাচ্ছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহের অপ্রতুলতার কারণে চিনির উৎপাদন কমেছে। তবে আগামী দু–এক দিনের মধ্যে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে। গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হলে তখন চিনির উৎপাদন বাড়বে। চিনি নিয়ে সরকারের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গম নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিকল্প বাজার হিসেবে কানাডা থেকে গম আমদানি করা হচ্ছে। খুশির খবর হচ্ছে, ইউক্রেন থেকে গম আমদানি শুরু হয়েছে। আজ সেখান থেকে ৫৫ হাজার টন গম ছেড়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম কমলেও আমাদের দেশে না কমার কারণ, ডলারের দাম বেশি। এ কারণে ভোক্তা কম দামের সুফল পাচ্ছে না।’