বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাড়িশিল্পে ব্যাপক কর অব্যাহতি দেওয়া হলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বেশ কিছু শর্তও আরোপ করেছে। যেমন এ সুবিধা পেতে হলে উদ্যোক্তাকে কারখানা স্থাপনে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আর ওই কারখানায় একটি গাড়ির নির্মাণপ্রক্রিয়ায় অন্তত ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করতে হবে। প্রথম ১০ বছরের মধ্যে মূল্য সংযোজনের হার ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে পারলে, পরের ১০ বছর ১০ শতাংশ আয়কর দিলেই চলবে। তা না করতে পারলে অবশ্য নিয়মিত হারেই কর দিতে হবে। উৎপাদন শুরুর পাঁচ বছর পর থেকে গাড়ি কারখানায় ইঞ্জিন, ট্রান্সমিশন ও স্টিয়ারিং সিস্টেম সংযোজন করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

এ ছাড়া রি-ইনফোর্সমেন্ট পাইপ, রি-ইনফোর্সমেন্ট ব্র্যাকেট, ফুয়েল ট্যাক্স কভার, ব্যাটারি সিল, ইঞ্জিন হুক, ওয়্যারিং ক্ল্যাম্প, কনডেনসর ফিক্সিং ব্র্যাকেট ইত্যাদি মৌলিক কাঁচামাল থেকে প্রস্তুত করতে হবে এবং এসব যন্ত্রাংশ বানানোর মেশিন ওই কারখানায় থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ওই কোম্পানির নিজস্ব পেইন্ট শপ থাকতে হবে।

শুধু গাড়িশিল্পে বিনিয়োগ করেই করসুবিধা পাওয়া যাবে না। এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে কোম্পানি আইনে নিবন্ধিত হতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) কাছ থেকেও নিবন্ধন নিতে হবে।

দেশে গাড়ির বাজার এখনো বিদেশি ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভরশীল। তবে জাপানের টয়োটা ব্র্যান্ডের গাড়িই বাংলাদেশের সড়কে বেশি চলে। বাংলাদেশের তিনটি কোম্পানি ইতিমধ্যে গাড়ি নির্মাণে বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে পিএইচপি গ্রুপ যৌথভাবে মালয়েশিয়ার ‘প্রোটন’ গাড়ি বানানোর উদ্যোগ নিয়েছে। হোসেন গ্রুপ সংযোজনশিল্প হিসেবে ‘বাংলা কারস’ নামের গাড়ি বানানো শুরু করেছে। উত্তরা মোটরসও গাড়িশিল্পে বিনিয়োগ করছে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন