বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, জাতীয় সোয়েটার ও গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এ এ এম ফয়েজ হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা ভজন বিশ্বাস, ওএসকে গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু প্রমুখ।

ঈদের আগে করোনা সংক্রমণ রোধে শ্রমিকদের তিন দিনের ছুটি দিতে শিল্পকারখানার মালিকদের প্রতি আহ্বান জানায় সরকার। মালিকেরা সেই পথে হাঁটতে শুরু করলে শ্রমিকেরা আন্দোলনে নামেন। ১০ মে ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় অবস্থিত হা-মীম গ্রুপের ক্রিয়েটিভ কালেকশন আন্দোলন করেন। এ সময় বিনা উসকানিতে পুলিশের বিরুদ্ধে টঙ্গীর মিলগেটে শ্রমিকদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন, তাঁদের সবাই হা-মীম গ্রুপের কর্মী।

default-image

সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকনেতারা দাবি করেন, হা-মীমের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ১৫ শ্রমিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। তবে হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন অপারেটর কাঞ্চন মিয়া। তাঁর পরিপাকতন্ত্রের একটি অংশ অপারেশন করে কেটে ফেলে দিতে হয়েছে। কাঞ্চন মিয়া ছিলেন তাঁর আট সদস্যের পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি। ফলে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে।

শ্রমিকনেতারা অভিযোগ করে বলেন, কাঞ্চন মিয়া ১৪ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তাঁর চিকিৎসা ও পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে গড়িমসি করেছে সরকার ও মালিকপক্ষ। তাঁর কর্মক্ষমতা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই তাঁর পরিবারের কাউকে চাকরি প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কনভেনশন ১২১ ধারা অনুযায়ী কাঞ্চন মিয়ার বাকি জীবনের জন্য উচ্চ আদালতের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন