default-image

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) এবার হচ্ছে কি হচ্ছে না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কথায় একবার মনে হয় হচ্ছে, আবার মনে হয় হচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে এ বিষয়ে ধীরগতি অবলম্বন করতে বলেছেন। আর পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। এই পরিস্থিতির উন্নতি হলে চলতি বছরের যেকোনো জুতসই সময়ে মেলা আয়োজন করা হতে পারে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গতকাল রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শন কেন্দ্র’ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। প্রদর্শন কেন্দ্র নির্মাণ শেষ হওয়ার কাগজপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। হস্তান্তরপত্রে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী ও চীনের পক্ষে রাষ্ট্রদূত সই করেন।

বাণিজ্যসচিব মো. জাফরউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত বাণিজ্যসচিব শরিফা খান।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকার অদূরে পূর্বাচল নতুন শহরে ২০ একর জমির ওপর বাণিজ্য মেলার স্থায়ী অবকাঠামো তৈরি করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যার মধ্যে চীনের অনুদান ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। বাকি অর্থ ব্যয় হয়েছে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মেলার সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা হয়েছিল। একটা প্রাথমিক সম্মতিও পাওয়া গিয়েছিল।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তবে এবার অনিশ্চয়তা থাকলেও আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই মেলা হবে। এ ছাড়া বাণিজ্য ও রপ্তানিবিষয়ক সব মেলাই এখন থেকে পূর্বাচলে হবে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন