বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০২০ সাল থেকে মানসম্মত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সময়মতো পরিবেশনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ করছে গ্রিন গ্রোসারি। বিষয়টি উল্লেখ করে তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, তাঁদের পণ্য তালিকায় রয়েছে—তুলসীমালা পোলাওর চাল, গাওয়া ঘি, ঘানিতে ভাঙা শর্ষের তেল, খাঁটি মধু, বিভিন্ন রেসিপি মসলা, বাড়িতে তৈরি জেলি, পিনাটবাটারসহ চল্লিশটির বেশি খাদ্যপণ্য। ইতিমধ্যে তাঁদের কয়েকটি পণ্য অনেকেরই পছন্দের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

পণ্যের বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তায় প্রান্তিক কৃষক ও উৎপাদকদের সঙ্গে কাজ করছেন গ্রিন গ্রোসারির কর্মীরা। উৎপাদকদের কাছ থেকে গুণগত মান যাচাই–বাছাই করে পণ্য সংগ্রহ, পরিকল্পিতভাবে যথাযথ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যকর ও সুদৃশ্য মোড়কীকরণ এবং অবশেষে ভোক্তাদের হাতে দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার কাজটিই দক্ষতার সঙ্গে করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন সাব্বির।

গ্রিন গ্রোসারিতে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে এম আসিফ রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে উৎপাদক থেকে ভোক্তা ব্যবসায়িক ধারণাটি নতুন। দেশে ইতিমধ্যে বেশ কটি ব্র্যান্ড নিরাপদ পণ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে, ভেজালমুক্ত নিরাপদ পণ্য পরিবেশন নিশ্চিতকরণের জন্য আরও অনেক উদ্যোগের প্রয়োজন।’ তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মানুষ আগের চেয়ে খাবারের নিরাপত্তা বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন। এ কারণে দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে এই খাতটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

গ্রিন গ্রোসারির অন্য দুই সহপ্রতিষ্ঠাতা সায়েম মুর্শেদ ও সাবা চৌধুরী জানান, পণ্যের জোগান ও বিপণন প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে কাজ শুরু করেছে গ্রিন গ্রোসারি। সেখানে নতুন এই বিনিয়োগ বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।
বিনিয়োগ পাওয়া প্রসঙ্গে তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির মনে করেন, এই বিনিয়োগ কেবল একটি আর্থিক বিনিয়োগ নয়। যেহেতু এম আসিফ রহমানসহ সব বিনিয়োগকারী নিজেরাই সফল উদ্যোক্তা, কাজেই তাঁদের মনিটরিং গ্রিন গ্রোসারিকে আরও এগিয়ে নেবে।

আরও অনেক ভোক্তার কাছে নিরাপদ খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই বিনিয়োগ তাঁরা কাজে লাগবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তালুকদার মহাজন সাব্বির। বললেন, অনলাইনের পাশাপাশি ফিজিক্যাল শপ বা আউটলেটও খুলতে চান। এ ছাড়া সব পণ্যের মান সনদ, পরিবেশবান্ধব মোড়কীকরণ এবং কৃষকের সঙ্গে চুক্তিতে চাষাবাদের কাজেও এই বিনিয়োগকে কাজ লাগাতে চান তাঁরা।

গ্রিন গ্রোসারির ওয়েবসাইট: www.greengrocery.com.bd

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন