বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: দেশে কর্মসংস্থান তৈরিতে আবাসন খাত কতটা ভূমিকা রাখছে?

রমজানুল হক: আবাসন খাতে দিন দিন কর্মসংস্থানের পরিমাণ বাড়ছে। বহুতল একটা ভবন করতে গেলে প্রচুর মানুষের প্রয়োজন হয়। আগে আমরা সর্বোচ্চ ১০তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ করতাম। এখন ২০তলা ভবন হচ্ছে। সামনে ৪০ থেকে ৫০তলা ভবন হবে। একবার ভাবুন তো কত মানুষের কর্মসংস্থান হবে সেখানে। আমরা যে বহুতল ভবন করছি, তা খুবই চ্যালেঞ্জের। আগের মতো রাজমিস্ত্রি এসে ঠুকঠুক করবে, এখন আর সেই দিন নেই। আমাদের মাধ্যমে দেশে দক্ষ শ্রমিক তৈরি হচ্ছে। শ্রমিকের দক্ষতা বাড়লে কর্মসংস্থানও বাড়বে।

প্রথম আলো: প্লট ও ফ্ল্যাট কিনে মানুষের প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। এই জায়গা থেকে উত্তরণের উপায় কী?

রমজানুল হক: আমরা যারা আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা আছে। তারা আমাদের পর্যবেক্ষণ করছে। আমি মনে করি, তাদের আরও সতর্ক হতে হবে। কাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে, কাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে না, এ বিষয়টা আরও ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সেটি করতে পারলে অধিকাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য কাজ ডিজিটালাইজড করতে হবে। গ্রাহক যখন ঘরে বসেই সব বিষয় জানতে পারবেন, তখন স্বচ্ছতা বহুগুণ বাড়বে।

প্রথম আলো: সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হলে কী করা উচিত বলে মনে করেন?

রমজানুল হক: জীবনমান উন্নত করতে হলে সবার আগে উন্নত আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ভালো থাকার ব্যবস্থা পেলে মানুষ ভালো চিন্তা করতে পারে। এতে জীবনধারণেও পরিবর্তন আসে। সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থা, ব্যাংক, আবাসন খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা কি খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন হইনি? আমাদের পোশাক বিদেশে দাপিয়ে বেড়াবে—এটা কখনো চিন্তা করেছি? সুতরাং আবাসন নিয়ে একসঙ্গে পরিকল্পনা করলেই সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করা অসম্ভব কিছু নয়।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন