বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চায়না হারবারের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সান ডং চিঠিতে ডব্লিউটিসি ও চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন বিভাগের পরিচালককে জানান, প্রকল্পকাজের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এই পাথর দরকার। পাথর সরবরাহে দেরি হওয়ায় ৫০ জন লোক অলস বসে আছে। বাধার কারণে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির কথাও চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি।

চায়না হারবারের প্রকল্প সমন্বয়ক জিমি মোহাম্মদ জামিল প্রথম আলোকে বলেন, প্রকল্প এলাকার সামনে সন্দ্বীপ চ্যানেলে পানির গভীরতা কম। এ জন্য সেখানে চলাচল উপযোগী ‘বার্জ ২৯৬’ নামের নৌযানে করেই এত দিন পাথর নেওয়া হয়েছে। এবারই প্রথম বাধা দেওয়া হয়েছে। পাথর নিতে না পারায় প্রকল্পকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সুপার ডাইক বা প্রতিরক্ষা বাঁধ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এই প্রকল্পের ঠিকাদার চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। এই শিল্পনগরে ব্যাপক উন্নয়নকাজ চলছে। তাতে সামনে বিপুল পরিমাণ নির্মাণসামগ্রী নৌপথে নিতে হবে।

অন্যদিকে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, নিয়মানুযায়ী ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলই বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের জন্য লাইটার জাহাজ বরাদ্দ দেয়। কিন্তু তারা নিজেদের জাহাজে পণ্য খালাস করছে।

গত ২৩ আগস্ট নৌপরিবহন অধিদপ্তর সাগরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাসে বেসরকারি সংস্থা ডব্লিউটিসি থেকে বরাদ্দ নিয়ে লাইটার জাহাজে পণ্য বোঝাই ও খালাসের নোটিশ দেয়। সে অনুযায়ী যেসব আমদানিকারক ওই সংস্থা থেকে জাহাজ ভাড়া নেননি, তাঁদের জাহাজে পণ্য খালাসে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

আমদানিকারকেরা জানান, খরচ সাশ্রয়ের জন্য অনেক আমদানিকারক লাইটার জাহাজ কিনেছেন। নিজেদের জাহাজে করে তাঁরা পণ্য পরিবহন করছেন। আবার ডব্লিউটিসি থেকে কম ভাড়ায় পাওয়ার কারণে তাঁরা খরচ সাশ্রয়ের জন্য সরাসরি লাইটার জাহাজও ভাড়া নিচ্ছেন।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন