বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এফআইএবির সাধারণ সম্পাদক আহসানুজ্জামান। তিনি জানান, পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিখাদ্য তৈরিতে ভুট্টা, সয়াবিন মিল, গম, আটা, ময়দা, ভাঙা চাল, চালের কুঁড়া, ফিশ মিল, শর্ষের খইল, তেল, ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদি কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৫০-৫৫ শতাংশ ব্যবহৃত হয় ভুট্টা আর সয়াবিন মিল ২৫-৩৫ শতাংশ। সয়াবিন বীজ থেকে তেল তৈরির পর অবশিষ্ট থাকা খইল থেকে তৈরি হয় সয়াবিন মিল।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, দেশের ফিড মিলগুলোতে বছরে ১৮-২০ লাখ মেট্রিক টন সয়াবিন মিলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ৭৫-৮০ শতাংশ দেশীয় সয়াবিন তেল উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে থাকে। বাকি ২০-২৫ শতাংশ সয়াবিন মিল ভারত, আমেরিকা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

এফআইএবির সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করে বলেন, গণমাধ্যমে সয়াবিন মিল রপ্তানির সুযোগ দেওয়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় সয়াবিন মিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচামালটির দাম কেজিতে ১০-১২ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এমনকি বাজারে কৃত্রিম সংকটও তৈরি করা হয়েছে। তাতে অনেক ফিড মিলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের সুস্পষ্ট মতামতসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিলেও সেটি আমলে নেওয়া হয়নি।

সয়াবিন মিল ছাড়াও মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য মোড়কীকরণে পাটের বস্তার বাধ্যবাধকতা, বিএসটিআইয়ের মানসনদ এবং আমদানি পণ্য পরীক্ষাগারে পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে করোনা সংকটের মধ্যে আছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।’

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন