বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে সারা দেশে নৈরাজ্য তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রেস্তোরাঁমালিকেরা। সরকারি সাতটি সংস্থা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার বলে তাঁরা অভিমত দেন।

রেস্তোরাঁ খাতে বিপুল কর্মসংস্থান হয়—প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত এর সঙ্গে। সরকারি হিসাবে দেশে চার লাখের বেশি রেস্তোরাঁ আছে। ইমরান হাসান বলেন, কৃষি, পর্যটনসহ অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখছে এই খাত। কিন্তু সরকারিভাবে রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা না দেওয়ায় এই খাত চরম অবহেলিত।

এ ছাড়া সারা দেশের পথখাবার থেকে শুরু করে সব রেস্তোরাঁ ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনার দাবি জানান রেস্তোরাঁমালিকেরা। এতে সবাই সমান সুযোগ পাবেন। ব্যবসায় অসম প্রতিযোগিতা থাকবে না।

সভায় রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি ওসমান গণি, প্রথম যুগ্ম মহাসচিব মো. ফিরোজ আলম, কোষাধ্যক্ষ তৌফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ আন্দালিব, প্রধান উপদেষ্টা খন্দকার রুহুল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন