default-image

প্রতি চারটি কারখানার মধ্যে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা করোনার প্রথম ঢেউয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আক্রান্ত শ্রমিকেরা গড়ে ২৫ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। আবার করোনার কারণে ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ে ১৩ শতাংশ কারখানা শ্রমিক ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছিল। তবে আইনানুগভাবে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করেছে কারখানাগুলো।

বিজিএমইএ, ইউএনডিপি ও গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভের (জিআরআই) যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় সাসটেইনিবিলিটি রিপোর্টিং স্টাডি’ শীর্ষক এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় জরিপের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১৭টি গোল বা অভীস্টের মধ্যে ৯টিতে বাংলাদেশের পোশাক খাত কেমন করছে, তা জরিপে উঠে এসেছে। জরিপে ৪৭টি পোশাক কারখানা অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ওয়াসিক জাকারিয়া ও শেখ এইচ এম মুস্তাফিজ। বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি, বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক প্রমুখ। সবশেষে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখায় ৪৭টি পোশাক কারখানাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ কারখানায় ৪৪ হাজার ৬৪ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। জরিপে উঠে এসেছে, অধিকাংশ কারখানা শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিমা দিচ্ছে। আবার কারখানাগুলোতে মাতৃত্বকালীন ছুটি দেওয়ার হার গত ২০১৯-২০ বছরে নানামুখী চ্যালেঞ্জের পরও ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জরিপে আরও বলা হয়েছে, ১৫ শতাংশ পোশাক কারখানা উৎপাদন বা প্রক্ষালন কক্ষে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানি ব্যবহার করে। আর ২৩ শতাংশ কারখানা বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছে।

জরিপের তথ্যে আরও উঠে এসেছে যে ২০১৭-১৮ থেকে ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে কারখানাগুলো বিদ্যুতের ব্যবহার ৬ শতাংশ হ্রাস করেছে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন