বাংলাদেশ থেকে বছরে ৭৫ কোটি ডলারের পোশাক কেনে এলপিপি

পোল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের শহর গদাঞ্জস্কে এলপিপির প্রধান কার্যালয়ছবি: এলপিপি ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া

দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের পোশাকশিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে পোল্যান্ডভিত্তিক ফ্যাশন রিটেইলার এলপিপি। প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশি পোশাক প্রস্তুতকারক অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের এই সম্পর্ক এখন পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি ও নতুন সম্ভাবনার ভিত্তি তৈরি করেছে।

এলপিপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেছে।

এলপিপি আরও বলেছে, ১০ বছর আগে বাংলাদেশে প্রায় ১০০টি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করত এলপিপি। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এলপিপির বার্ষিক চুক্তির মূল্য প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ কারখানার প্রধান ক্রেতা এলপিপি।

এলপিপি আরও বলেছে, বাংলাদেশও বিশ্বের অন্যতম প্রধান পোশাক উৎপাদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

এলপিপির পারচেজিং ডিরেক্টর জোয়ানা সিকোরস্কা বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের প্রবৃদ্ধি সব সময়ই সরবরাহকারীদের উন্নয়নের সঙ্গে সমান্তরালে এগিয়েছে। ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধির সঙ্গে আমরা আরও বড় ও বৈচিত্র্যময় ক্রয়াদেশ দিতে পেরেছি। একই সময়ে আমাদের অংশীদারেরাও নতুন প্রযুক্তি, দক্ষতা ও উৎপাদন সক্ষমতায় বিনিয়োগ করেছে।’

জোয়ানা সিকোরস্কা বলেন, অনেক ছোট কারখানাকে বড় ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে দেখেছি, যেখানে এখন হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

এলপিপি বলছে, দীর্ঘমেয়াদি এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বর্তমানে বিশ্বের ৪৭টি বাজারে ৪ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এলপিপি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ক্রয়ের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান অষ্টম।