বাজেটের সুবিধা নিতে এসএমই খাতকে শর্ত মানতে হবে

জাতিসংঘের এমএসএমই দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সেমিনারের আয়োজন করে মাইডাস। জাতীয় বাজেটে এ খাতের নানা সুবিধা নিয়ে এতে আলোচনা হয়।

আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে মাইডাস আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেটের প্রভাব: এমএসএমই উন্নয়ন ও নতুন সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সেমিনারে আলোচকেরা। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারেছবি: প্রথম আলো

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) খাতে বেশ কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সুবিধা নিতে ছোট উদ্যোক্তাদের নিয়মিত হিসাব রাখা, রিটার্ন জমা দেওয়া, ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়া এবং এসএমই ফাউন্ডেশনে তালিকাভুক্ত থাকার মতো শর্ত পালন করতে হবে। আনুষ্ঠানিক খাতে আসলেই কেবল বাজেটে দেওয়া সুবিধা পাওয়া যাবে।

জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস (মাইডাস) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব বিষয় উঠে আসে। আজ বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ‘জাতীয় বাজেটের প্রভাব: এমএসএমই উন্নয়ন ও নতুন সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে বক্তারা জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে এমএসএমই খাতের প্রবৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সেমিনারে বক্তব্য দেন মাইডাসের চেয়ারম্যান পারভীন মাহমুদ, ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবিন, এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) প্রতিনিধি গুঞ্জন বাহাদুর, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের সিইও ফারজানা চৌধুরী, ব্র্যাক ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ফাবিহা ফাইরোজ, ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এ টি এম তারিকুল ইসলাম ও ডিজাইনার সুরাইয়া চৌধুরী প্রমুখ।

সেমিনারে মূল বক্তব্যে এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, বাজেটে এমএসএমই খাতের জন্য ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করমুক্ত রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য এ হার ৭০ লাখ। তবে এ সুবিধা পেতে এসএমই ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত সদস্য হতে হবে। একইভাবে নারীদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে চার লাখ করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবিন বলেন, কর না দিলেও রিটার্ন জমা দিতে হবে। আনুষ্ঠানিক বা ফরমাল হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তবেই সরকারি সুবিধা নেওয়া যাবে। তা না হলে বিভিন্ন তহবিলের সুবিধা পাওয়া যায় না।

আলোচনা শেষে একটি র‍্যাম্প শো আয়োজন করা হয়।