মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা কালই হতে পারে, বললেন বিজিএমইএর সভাপতি
তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা দ্রুত, সম্ভব হলে আগামীকাল বুধবার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান বিক্ষোভে দ্রুত সময়ের মধ্যে মজুরি বোর্ডের সভা হওয়া দরকার। সম্ভব হলে কাল বুধবারও প্রথম সভা হতে পারে। সেখান থেকে মজুরি পুনর্নির্ধারণের একটি সময়সীমা ঘোষিত হলে সাধারণ পোশাকশ্রমিকেরা আশ্বস্ত হবেন।
রাজধানীর একটি হোটেলে আজ মঙ্গলবার রাতে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। এ সময় বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার–উল–আলম চৌধুরী পারভেজ, রুবানা হক, হা–মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, বিজিএমইএর বর্তমান পর্ষদের প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, রেজওয়ান সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সম্পাদকদের জানান, আজ সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তৈরি পোশাকশিল্পে চলমান বিক্ষোভ–ভাঙচুর–সংঘর্ষের বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে জানান, কারখানার উৎপাদন নিরবচ্ছিন্নভাবে চালাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা এখনো পর্যাপ্ত বলে মনে করছেন না পোশাকমালিকেরা। সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা আরও বাড়ানো দরকার। যাতে করে শ্রমিক–মালিকের নিরাপত্তার পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন সচল থাকে।
বিজিএমইএর সভাপতি আরও জানান, মজুরি বোর্ডের সভা দ্রুত করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ করেন তিনি। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। সম্পাদকেরা বিজিএমইএর নেতাদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আপনারা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়টি দ্রুত আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। তা ছাড়া মজুরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা কথা বলতে পরামর্শ দেন তাঁরা।
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা গত সপ্তাহে বিক্ষোভ শুরু করেন। চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন থেকে সেই বিক্ষোভ গাজীপুর, সাভার–আশুলিয়া ও মিরপুরে ছড়িয়ে পড়ে। পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে গত রোববার সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করলেও পরিস্থিতির তেমন একটা উন্নতি হয়নি।