রাজধানীর বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে গতকাল দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ‘চলমান বৈশ্বিক সংকটে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নেই। তবে আমাদের ব্যবসা ধরে রাখার পাশাপাশি তা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

সে জন্য সাত দিনের এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চাই। পোশাকে আমাদের উদ্ভাবন ও সক্ষমতা সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, এই আয়োজন ডলার–সংকটের সময়ে নতুন চাপ তৈরি করবে না। কারণ, বিভিন্ন দেশ থেকে বিদেশি ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা আসবেন আর বিদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। এতে রিজার্ভে কিছু ডলার যোগ হবে; যদিও সাত দিনের এই আয়োজনে কত টাকা খরচ হচ্ছে, সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি সরাসরি দেননি।

গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে দেশের পোশাক খাত ভুগছে। উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫০-৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশি ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে আশ্বস্ত করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক হাসান বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার কথা বলে ক্রেতাদের আমরা উদ্বিগ্ন করতে চাই না। নিজেরাই কিছু সমস্যার সমাধান করতে চাই। আশা করছি, সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি এস এম মান্নান, শহীদউল্লাহ আজিম প্রমুখ।