এ তো গেল ডলারের দামে অস্থিরতা। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আগস্ট মাসের ডলারের নতুন বিনিময় হার প্রকাশ করেছে। তাতে আগস্ট মাসে ডলারপ্রতি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৩ টাকা ৪০ পয়সা। জুন মাসেও এই বিনিময় হার ছিল ৮৬ টাকা ৭৩ পয়সা। বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যের এবার শুল্ক-করও বাড়তি দিতে হবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা, আদা, রসুন আমদানিতে ১০ শতাংশ মার্জিন দিয়ে ঋণপত্র খোলা যায়। তবে মিষ্টি জিরা, লবঙ্গ, গোলমরিচ ও খেজুরের মতো পণ্যের ঋণপত্র খুলতে এখন ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ মার্জিন দিতে হচ্ছে। এত বিপুল বিনিয়োগ করে ব্যবসা চালানো কঠিন।

মসলা ও ভোগ্যপণ্যের কোনটি অপ্রয়োজনীয়, তা সরকার সুনির্দিষ্ট করে দিক। এসব পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে ডলার-সংকট কাটানো যাবে না। তার চেয়ে বিলাসপণ্যে বরং কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা উচিত। আর ডলারের অস্থিরতা না থাকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিও স্বাভাবিক থাকবে না।

ফারুক আহমেদ কর্ণধার, ফারুক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, খাতুনগঞ্জ

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন