আর এখন আমদানি দায় শোধ করতে হচ্ছে প্রতি ডলার ১০১ টাকা করে। ধরা যাক, ইস্পাত খাতের কোনো প্রতিষ্ঠান যদি ১ কোটি ডলারের কাঁচামাল আমদানির দায় শোধ করে, তাহলে ডলারে মূল্যবৃদ্ধির জন্য ১৫ কোটি টাকা বাড়তি দিতে হবে। ইস্পাত খাতে সব কোম্পানিই শুধু ডলারের বিনিময়মূল্য বেড়ে যাওয়ায় ব্যাপক অঙ্কের লোকসান দিচ্ছে।

ডলারের চাপ সামলানোর আগে বিদ্যুৎ–সংকট ও গ্যাসের চাপ কম থাকায় নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন চালু রাখা যাচ্ছে না। ভারী শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন চালু রাখা না গেলে উৎপাদন খরচ খুব বেড়ে যায়।

সরকার বিলাসপণ্য ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যে আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।

আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তবে শিল্পের কাঁচামালের ঋণপত্র যাতে সহজে খোলা যায়, সে জন্য সরকারের তদারকি থাকা দরকার। কারণ, কাঁচামাল আমদানি স্বাভাবিক না থাকলে সামনে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে।

এ মুহূর্তে ডলারের দাম যাতে স্থিতিশীল থাকে, সে জন্য সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আর ব্যবসা চালিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা দেওয়া উচিত।

মোহাম্মদ সরওয়ার আলম পরিচালক, এইচএম স্টিল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও গোল্ডেন ইস্পাত লিমিটেড

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন