তার, সুইচ, ফ্যান, এলইডি বাতি বানাতে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি গ্রুপ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেড) প্রায় ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি গ্রুপ। তাদের কারখানায় বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, ফ্যান, এলইডি লাইট, সার্কিট ব্রেকারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য বানানো হবে।
এ জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও এমইপি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এমইপি হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডের মধ্যে ভূমি লিজ (ইজারা) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
আজ সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বেজা কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় বেজার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বেজার অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী সদস্য সালেহ আহমেদ। এমইপি গ্রুপের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এমইপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার। চুক্তিতে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমইপি গ্রুপের পরিচালক শকিল আলম চাকলাদার, ফাহিম আলম চাকলাদার ও প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিএফও) জেমস টুটুল মণ্ডল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১০ একর জমিতে বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন করার জন্য একটি ক্লাস্টার বা শিল্পকারখানা স্থাপন করবে। এই শিল্পকারখানায় বৈদ্যুতিক তার, সুইচ-সকেট, ফ্যান, এলইডি লাইট, সার্কিট ব্রেকারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন করা হবে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও বলছে, কারখানা নির্মাণের কাজ চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হবে। পুরোপুরি নির্মাণকাজ ২০২৮ সালের ডিসেম্বরে মাসে শেষ করার পরিকল্পনা আছে। ২০২৯ সালের জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন কার্যক্রম চালু হলে প্রায় দুই হাজারের বেশি লোকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেজার অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী সদস্য সালেহ আহমেদ বলেন, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে এমইপির মতো দেশি শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ বাংলাদেশে আমদানি নির্ভরতা কমাবে। এ ছাড়া রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নে তাদের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সময় এমইপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার বলেন, ‘বেজার সহযোগিতায় আমরা এনএসইজেডে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন শিল্প স্থাপন করতে যাচ্ছি। এই প্রকল্প দেশের বৈদ্যুতিক পণ্যের আমদানি বিকল্প উৎপাদন বৃদ্ধি করবে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে রপ্তানি বাজারেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।’