উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, বিসিএমআইএর সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পকারখানার গ্যাস সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী নিজে উদ্যোগ নিয়েছেন। শিগগিরই ব্যবসায়ীদের নিয়ে আমরা বসব। সমস্যার একটা খসড়া তৈরি করে সেটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাব। আশা করছি, আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার উন্নতি হবে।’

এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, সিরামিক খাতের উন্নয়নে দ্রুত সিরামিক শিল্পনগরী বাস্তবায়ন, সিরামিক টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট স্থাপন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য ও কাঁচামালের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করা প্রয়োজন। তৈরি পোশাক খাতে যেভাবে নীতি সহায়তা দেওয়া হয়েছে, সেভাবে সিরামিকসহ অন্যান্য বড় রপ্তানি খাতেও সুবিধা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আয়োজকেরা জানান, তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ২০টি দেশের ১২০টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১৫০টি ব্র্যান্ড নিয়ে অংশ নিয়েছে। বর্তমানে ৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য।

অনুষ্ঠানে বিসিএমআইএ সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, দেশে ইতিমধ্যে সিরামিক, টেবিলওয়্যার, টাইলস ও স্যানিটারিওয়্যার খাতে ৭০টিরও বেশি শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বছরে এ শিল্পের স্থানীয় বাজার প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার। গত ১০ বছরে এই খাতে উৎপাদন বেড়েছে ২০০ শতাংশ, আর বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। এ ছাড়া বিশ্বের প্রায় ৫০টিরও বেশি দেশে সিরামিক পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। এতে বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আয় হচ্ছে।

বিসিএমআইএর সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন বলেন, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে সিরামিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নতুন পণ্য, আধুনিক প্রযুক্তি ও নিজেদের দক্ষতা বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে।