রপ্তানি ট্রফি পাওয়া রিফাত গার্মেন্টস গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২০ কোটি ৫০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। এর কর্মীর সংখ্যা ১৪,৩৪৪ জন।

চলমান গ্যাসের সমস্যার সমাধানে গৃহস্থালি বা বিদ্যুৎ উৎপাদন খাত থেকে কমিয়ে শিল্পকারখানায় অন্তত ৫ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে এ কে আজাদ বলেন, পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ধরে রাখতে তার কোনো বিকল্প নেই।

বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘জ্বালানি ঠিকভাবে না দিতে পারলে শিল্প এগোবে না, এটা প্রধানমন্ত্রীও অবগত আছেন। তবে কোনো সহজ সমাধান নেই। এ অবস্থার মধ্যেই দূরদৃষ্টি নিয়ে চলতে হবে। সামনের বছরগুলোতে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমিয়ে আনার মতো কিছু শক্ত নীতিতেও যেতে হতে পারে।’  

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘আপনাদের সমস্যাগুলো শুনলাম। আনুষ্ঠানিকভাবে বসে সমস্যা সমাধানের চিন্তা করতে হবে। সব ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে শিগগিরই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি সভা ডাকবে। সবাই মিলে একটি খসড়া তৈরি করব। এরপর আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাব।’

পুরস্কার পেল যেসব প্রতিষ্ঠান

তৈরি পোশাকশিল্পের ওভেন উপখাতে রিফাত গার্মেন্টস স্বর্ণ, একেএম নিটওয়্যার রৌপ্য ও অনন্ত অ্যাপারেলস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। নিট পোশাকে জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রিজ স্বর্ণ, স্কয়ার ফ্যাশনস রৌপ্য ও ফোর এইচ ফ্যাশনস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। সব ধরনের সুতায় বাদশা টেক্সটাইল স্বর্ণ, কালাম ইয়ার্ন রৌপ্য ও নাইস কটন ব্রোঞ্জ এবং কাপড়ে এনভয় টেক্সটাইল স্বর্ণ, আকিজ টেক্সটাইল মিলস রৌপ্য ও নাইস ডেনিম ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

এ ছাড়া হোম ও বিশেষায়িত টেক্সটাইলে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস ও টেরিটাওয়েলে শ্রেণিতে নোমান টেরিটাওয়েল মিলস স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে। হিমায়িত খাদ্যে স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে জালালাবাদ ফ্রোজেন ফুডস। এ ছাড়া অ্যাপেক্স ফুডস রৌপ্য ও এমইউ সি ফুডস ব্রোঞ্জ পেয়েছে। কাঁচা পাটে ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে। আর পাটজাত পণ্যে আকিজ জুট মিলস স্বর্ণ, করিম জুট স্পিনার্স রৌপ্য ও ওহাব জুট মিলস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

চামড়ায় (ক্রাস্ট ও ফিনিশড) অ্যাপেক্স ট্যানারি স্বর্ণ ও এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য এবং চামড়াজাত পণ্যে পিকার্ড বাংলাদেশ স্বর্ণ, এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ও বিবিজে লেদার গুডস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।  জুতায় বে-ফুটওয়্যার স্বর্ণ, রয়েল ফুটওয়্যার রৌপ্য এবং এফবি ফুটওয়্যার ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

অন্যদিকে কৃষিজ পণ্যে মনসুর জেনারেল ট্রেডিং স্বর্ণ ও ইনডিগো করপোরেশন রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে তিনটি পুরস্কারই পেয়েছে প্রাণ গ্রুপের—প্রাণ ডেইরি, প্রাণ অ্যাগ্রো ও প্রাণ ফুডস। ফুল ফলিয়েজে রাজধানী এন্টারপ্রাইজ স্বর্ণ এবং এলিন ফুডস ট্রেড রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে।

হস্তশিল্পে কারুপণ্য রংপুর স্বর্ণ, বিডি ক্রিয়েশন রৌপ্য ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। এ ছাড়া প্লাস্টিক পণ্যে বেঙ্গল প্লাস্টিকস স্বর্ণ, ডিউরেবল প্লাস্টিক রৌপ্য ও বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ এবং সিরামিক পণ্যে শাইনপুকুর সিরামিকস স্বর্ণ, আর্টিসান সিরামিকস রৌপ্য ও প্যারাগন সিরামিক ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

হালকা প্রকৌশল শিল্পে ইউনিগ্লোরি সাইকেল কম্পোনেন্ট স্বর্ণ, ইউনিগ্লোরি সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ও রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ইউনিট-২ ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক পণ্যে এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং স্বর্ণ, কনফিডেন্স স্টিল রৌপ্য ও রহিমআফরোজ ব্যাটারি ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য শ্রেণিতে তাসনিম কেমিক্যালস কমপ্লেক্স স্বর্ণ, মেরিন সেফটি সিস্টেম রৌপ্য এবং  মূমানু পলিয়েস্টার ইন্ডাস্ট্রিজ ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। এ ছাড়া ওষধে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল স্বর্ণ, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল রৌপ্য ও ইনসেপ্‌টা ফার্মাসিউটিক্যালস ব্রোঞ্জ ট্রফি এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারে সার্ভিস ইঞ্জিন স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে।

ইপিজেডের শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন তৈরি পোশাকশিল্পে (নিট ও ওভেন) ইউনিভার্সেল জিনস স্বর্ণ ও প্যাসিফিক জিনস রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। আর অন্যান্য পণ্য ও সেবায় ফারদিন অ্যাকসেসরিজ স্বর্ণ ও আরএম ইন্টারলাইনিংস রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে।

প্যাকেজিং ও অ্যাকসেসরিজ পণ্যে এম অ্যান্ড ইউ প্যাকেজিং স্বর্ণ, মনট্রিমস রৌপ্য ও ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। অন্যান্য প্রাথমিক পণ্যে অর্কিড ট্রেডিং করপোরেশন স্বর্ণ, ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল রৌপ্য ও দ্য কনসোলিডেটেড টিঅ্যান্ডল্যান্ড কোম্পানি ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

অন্যান্য সেবা খাতে মীর টেলিকম স্বর্ণ এবং নারী উদ্যোক্তা বা রপ্তানিকারক জন্য সংরক্ষিত শ্রেণিতে স্কয়ার টেক্সটাইল স্বর্ণ ও আল-সালাম ফেব্রিকস রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে।