দুর্ঘটনায় স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব ও মারা যাওয়ার কারণে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ৪৯৫ জন এবং নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ২৪১ জন শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সহায়তা দেওয়া হবে ১৪ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্য প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪০ জন শ্রমিককে চিকিৎসাসহায়তা দেওয়া হবে ৫ কোটি টাকা ৬৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা। আর পোশাকশ্রমিকের ৬৫২ জন সন্তানকে শিক্ষাসহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে ১ কোটি ৩০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, কেন্দ্রীয় তহবিলের মহাপরিচালক মোল্লা জালাল উদ্দিন, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান, বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, মহিলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা খায়রুন নাহার তামরিন প্রমুখ।