১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক ছাড়াল মুঠোফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনি

মুঠোফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনির গ্রাহকসংখ্যা ১৪ কোটিতে পৌঁছেছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশি মালিকানাধীন এই ব্র্যান্ড যাত্রা শুরু করে। স্বল্প মূল্যে মুঠোফোন সরবরাহ করায় যাত্রা শুরুর কয়েক বছরের মধ্যে ব্র্যান্ডটি ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পায়। ২০১২ সালে ব্র্যান্ডটি কম দামের অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন বাজারে আনে। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সাশ্রয়ী প্রযুক্তি সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দেশি ব্র্যান্ডটি।

মুঠোফোনের ১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অর্জনটি আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হলিডে ইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্‌যাপন করেছে সিম্ফনি। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি ছিলেন অভিনয়শিল্পী তৌসিফ মাহবুব।

অনুষ্ঠানে নিজের পুরোনো স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তৌসিফ মাহবুব বলেন, ‘২০০৯ সালের জুন-জুলাই মাস। আমি সিম্ফনি মোবাইল কিনব। সে জন্য তখন টিউশনি করে টাকা জমিয়েছিলাম। ৭ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে সিম্ফনি এক্সপ্লোরার ডব্লিউ টেন ফোনটা কিনি।…সেই অনুভূতিটা আমার জন্য বিশেষ ছিল।’

অনুষ্ঠানে এডিসন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিম্ফনি মোবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘১৯৯৯ সাল থেকে আমি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। তখন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো ছিল। আমরা উপলব্ধি করেছিলাম, সেগুলো ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। ব্যাটারি লাইফ, সাউন্ড, স্পিকারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে গ্রাহকের নানা প্রত্যাশা ছিল। গ্রাহকের সেই প্রত্যাশা পূরণের চিন্তা থেকেই সিম্ফনির যাত্রা শুরু হয়। মেমোরি, চিপসেট, কম্পোনেন্ট (উপকরণ) বাড়ার কারণে বৈশ্বিকভাবে মুঠোফোনের দাম বাড়ছে। কিন্তু আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি, যাতে এই বাড়তি দামের বোঝা ক্রেতাদের ওপর না পড়ে।’

সিম্ফনি সত্যিকারের বাংলাদেশি ব্র্যান্ড উল্লেখ করে জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘এই বাংলাদেশি ব্র্যান্ড আমাদের গর্ব। এতে আমাদের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানে সিম্ফনির সেলস ও মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সায়েম বলেন, ‘সিম্ফনি বাংলাদেশে একটা আবেগের নাম। ২০০৮ সালে ব্র্যান্ডটির যখন যাত্রা শুরু হয়, তখন প্রথম উদ্দেশ্যই ছিল বাংলাদেশের আনাচকানাচে মোবাইল সেবা পৌঁছে দেওয়া। এই ১৪ কোটি ক্রেতার মাধ্যমে আমার মনে হয় আমরা সেটা করতে পেরেছি।’

সিম্ফনির ১৪ কোটিতম গ্রাহক ময়মনসিংহের মাফিজা খাতুন। অনুষ্ঠানে তিনিসহ আরও দুজন গ্রাহককে সিম্ফনির পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।