বৈঠক শেষে লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শ্রমিকদের মূল দাবি ছিল চরপাড়া ঘাটের ইজারা বাতিল করা। এই দাবি মেনে নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।

নৌযানের শ্রমিকদের এই ধর্মঘট নদীপথে পণ্য পরিবহনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। কারণ, প্রতিদিন গড়ে দেড় লাখ টনের বেশি আমদানি পণ্য বহির্নোঙর থেকে লাইটার জাহাজে করে সারা দেশের নানা ঘাটে নেওয়া হয়। ধর্মঘটের আগের দিন বন্দরে ১১ লাখ ৪১ হাজার টন পণ্য আটকা পড়ে। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে বন্দর কর্তৃপক্ষ শুক্রবার বিকেলে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে।

বৈঠকে স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জানতে চাইলে বন্দরসচিব মো. ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। এরপরই ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শ্রমিকেরা। এখন বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর ও লাইটার জাহাজে পণ্য পরিবহনের কাজ শুরু হয়েছে।