বিসিএসে সময় কমিয়ে আনতে আরও কী কী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন?

সোহরাব হোসাইন: আমরা চাই বিসিএসের সময় যত কম লাগে সে ব্যবস্থা করতে। এ জন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে যে যে পারদর্শী, তাঁদের সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে। সব কাজ সবাই ভালো পারে না। যে যেই কাজ ভালো পারেন, তাঁকে সেই কাজ দেওয়া হবে। যদি কেউ কাজ ফেলে রাখেন, তাহলে তাঁকে আমরা সেই কাজ দেব না। এ ছাড়া প্রতিটি বিসিএসের আগে আমরা পরিকল্পনা করব। এবং যে যে প্রতিশ্রুতি দেব, সেটি অক্ষরে অক্ষরে পালনের ব্যবস্থা করব। আপনারা লক্ষ করবেন, এখন পিএসসি প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করছে। এটি ঠিক রাখার চেষ্টা করব। কারণ, আমরা এমনভাবে ভেবেচিন্তে সময়গুলো বেঁধে রাখছি, যাতে এটি নিয়ে কোনো দ্বিধা কাজ না করে। এ ছাড়া কাজের সময়ের বাইরেও পিএসসি সরকারি ছুটির দিনে বিশেষ ব্যবস্থায় কাজ করছে। স্বচ্ছতা বজায় রাখছে। আমাদের কারণে যাতে কোনো পরীক্ষা বা ফল প্রকাশে দেরি না হয়, সেটিতে নজর রাখা হচ্ছে।

প্রতিটি বিসিএসের আগে ফেসবুকে নানা গুজব দেখা যায়। কয়েক বছর ধরে বিসিএসের চাকরি নিয়ে তরুণদের বিপুল আগ্রহ বাড়ার পর থেকে পিএসসির নামে ফেসবুকে একাধিক গ্রুপ ও পেজ চালু হয়। এসব গ্রুপের ছবি ও নাম এমনভাবে দেওয়া, যাতে দেখে মনে হয় পিএসসি এসব পেজ বা গ্রুপ তৈরি করেছে। কোনো কোনো পেজ ও গ্রুপে বিসিএসের প্রিলিমিনারি, লিখিত বা ভাইভার সম্ভাব্য তারিখ দেওয়া হয়। এসব দেখে অনেকে এটি পিএসসির দাপ্তরিক ঘোষণা মনে করেন। আবার চূড়ান্ত সুপারিশ কবে দেওয়া হতে পারে, তারও ঘোষণা এসব পেজ ও গ্রুপে দেওয়া হয়ে থাকে। এটি ফেসবুক পেজ পিএসসির নামেও চালানো হয়। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?

সোহরাব হোসাইন: সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নামে ফেসবুকে যত গ্রুপ বা ফেসবুক পেজ আছে, তার সব কটিই ভুয়া। কোনোটিই পিএসসির দাপ্তরিক পেজ বা গ্রুপ নয়।

‘যে পেজের কথা বলছেন, তা পিএসসির কোনো পেজ নয়। এখানে প্রিলিমিনারির যে তারিখের কথা বলা হয়েছে, তার আগেও ফল প্রকাশিত হতে পারে। এ ধরনের ভুয়া পেজের কোনো বক্তব্য পিএসসির দায় নয়। এখানের কোনো কিছুর বিষয়ে পিএসসির অনুমতি নেই। আমরা এই পেজের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাব।

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন